দেশ না পরিবার? রিঙ্কু সিংকে এই প্রশ্নটা করলে তিনি আগে দেশকে বাছবেন। তার প্রমাণ তিনি দিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে খেলতে কলকাতায় চলে এলেন তিনি। বাবার মৃত্যুর একদিন পরেই তিনি শহরে আসায় অবাক হয়েছেন অনেকেই। বাবার মৃত্যুর পর পারিবারিক সমস্ত দায়িত্ব ও শেষকৃত্য সম্পন্ন করে শনিবার সকালেই তিনি দলের সঙ্গে যুক্ত হন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব দেবজিৎ সইকিয়া আগেই জানিয়েছিলেন, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রিঙ্কু কলকাতায় এসে দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেবেন।
বাবার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ পরিবার
রিঙ্কুর বাবা খানচন্দ্র সিংয়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে গ্রেটার নয়ডার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। শুক্রবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে চেন্নাই থেকে ভোরেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন রিঙ্কু, যাতে বাবার শেষকৃত্যে উপস্থিত থাকতে পারেন। আলিগড়ে সন্ধ্যায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় এবং বহু মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরিবারের উপর নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া।
জিম্বাবোয়ে ম্যাচে বাইরে
বাবার অসুস্থতার কারণেই চেন্নাইয়ে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে প্রথম একাদশে জায়গা পাননি রিঙ্কু। যদিও তিনি বিকল্প ফিল্ডার হিসেবে মাঠে নামেন। ব্যক্তিগত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও দলের পাশে থাকার চেষ্টা করেছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
🚨Rinku Singh rejoined Team India in Kolkata for the India vs West Indies quarter-final match.
— Sonu (@Cricket_live247) February 28, 2026
Stay strong, Rinku. 🇮🇳 pic.twitter.com/P2R8MSjAhh
ইডেনে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষা
রবিবারের ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে, যা আইপিএলে রিঙ্কুর পরিচিত মাঠ। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে তাঁর অভিজ্ঞতা দলের জন্য বড় ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সমর্থকদের উপস্থিতি ও চেনা পরিবেশ তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলেই আশা টিম ম্যানেজমেন্টের।
বাবার অনুপ্রেরণাই শক্তি
আলিগড়ের সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা রিঙ্কুর ক্রিকেটযাত্রার নেপথ্যে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন তাঁর বাবা। আর্থিক কষ্ট সত্ত্বেও ছেলের স্বপ্ন পূরণে সবসময় পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। সেই মানুষটিকে হারানোর গভীর শোক নিয়েই দেশের দায়িত্ব পালনে আবার মাঠে ফিরতে প্রস্তুত রিঙ্কু—যা তাঁর মানসিক দৃঢ়তারই প্রমাণ।
কালীঘাট মন্দিরে গৌতম গম্ভীর, মায়ের কাছে কী চাইলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের হেড কোচ?











1 thought on “Rinku Singh: আগে দেশ, বাবার মৃত্যুর পরের দিনেই দেশের হয়ে খেলতে কলকাতায় রিঙ্কু”