২৬-শের ভোটযুদ্ধ। নির্বাচনী নির্ঘন্ট প্রকাশ হতেই রাজ্যে বেজে গিয়েছে ভোটের দামামা। শাসক-বিরোধী দুপক্ষই প্রচারের ময়দানে মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন। ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা হলো ঠিকই তবে এখনও পর্যন্ত এসআইআর নিয়ে এখনও কোনও নিষ্পত্তি হল না। আর তাই নিয়ে বার বার সরব হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অপরদিকে আজ তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল বিজেপি। আর সেই অভিযোগ পত্র তুলে ধরলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah Bengal Visit)। এই অভিযোগপত্রের মূল আকর্ষণ হলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তিন মেয়াদের ১৫ বছরের শাসকের অবনতির খতিয়ান।
এই অভিযোগপত্রে রাজ্যের শিক্ষা, স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে কর্মসংস্থানের মতো ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরলেন অমিত শাহ। কেবল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নন, এই অভিযোগপত্রে সরাসরি কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।
কলকাতায় এক সাংবাদিক বৈঠকে শাহ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় ভিক্টিম কার্ডের রাজনীতি করেন। কখনও তিনি নিজের পা ভাঙেন, তো কখনও মাথায় পট্টি বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে পড়েন। আবার নির্বাচন কমিশনের সামনে গিয়ে অসহায় সেজে প্রতিষ্ঠানকে গালিগালাজ করেন। কিন্তু আমি তাঁকে বলতে এসেছি যে, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এই ভিক্টিম কার্ডের রাজনীতি এখন পুরোপুরি বুঝে গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “সারা দেশেই এসআইআর চলছে, কিন্তু আর কোথাও বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের নিয়োগ করতে হয়নি—শুধুমাত্র বাংলাতেই হয়েছে। এর কারণ কী? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত বাংলার মানুষকে এর জবাব দেওয়া। তিনি এসআইআর-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। কিন্তু আজ আমি বাংলার মানুষকে জিজ্ঞাসা করতে চাই, এখানে যে অনুপ্রবেশকারীদের রাখা হয়েছে, তারা কি বাংলার ভবিষ্যৎ ঠিক করবে? আমি বিজেপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে দিতে চাই যে, আমরা প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে শুধু ভোটার তালিকা থেকে নয়, সারা দেশ থেকে খুঁজে বের করে তাড়ানোর জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, আর এটাই আমার দলের অ্যাজেন্ডা,”
শাহের (Amit Shah Bengal Visit) কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘জনগণের চার্জশিট প্রকাশ’। ‘চার্জশিট’ আনুষ্ঠানিক ভাবে উন্মোচন করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ।








