অগস্ট নয়, এপ্রিলেই শুরু হবে ‘যুবসাথী’। মঙ্গলবার নবান্নে বৈঠকের পর এমনটাই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪ মাস আগে শুরু হতে চলেছে এই প্রকল্প। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন আর্থিক বছর এপ্রিলে যাতে শুরু হয়, তাই এই তড়িঘড়ি ব্যবস্থা। কিন্তু সত্যিই কি তাই? নাকি নির্বাচনের আগেই প্রকল্প শুরু করাই মূল লক্ষ্য, জল্পনা শুরু।
এই যুবসাথী প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে মাধ্যমিক পাশ বেকার যুবক যুবতীদের জন্য মাসিক হাতখরচের ব্যবস্থা করা। এই ভাতার আওতায় আসা প্রত্যেকে চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত বা সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত পাবেন ১৫০০ টাকা। এরপর পরিস্থিতি অনুযায়ী আবার প্রকল্পটি পর্যালোচনার মাধ্যমে বাড়ানো হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পুরোনো পরিকল্পনা অনুযায়ী এই প্রকল্পটি অগস্টে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নতুন অর্থবছরের শুরুতে ১ এপ্রিল থেকে দেড় হাজার টাকা ভাতা দেওয়া শুরু করা হবে, যাতে রাজ্যের যুব সমাজের অনিশ্চয়তার সময় কিছুটা আর্থিক সহায়তা পায়। Banglar Yuva Sathi
‘আবেদনের জন্যেও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান মমতা। তিনি জানান, ফেব্রুয়ারির ১৫ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত রাজ্যের ২৯৪টা বিধানসভার প্রতিটি কেন্দ্রে একটি করে ক্যাম্প বসিয়ে আবেদন জমা নেওয়া হবে, অনেকটাই দুয়ারে সরকারের মতো। যেহেতু সময় কম তাই অনলাইন নয় বরং অফলাইনে এই ফর্ম ফিল আপ করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সংবাদপত্রের মাধ্যমে এই ক্যাম্পগুলোর বিজ্ঞাপন আগেই প্রকাশ করা হবে।
রাজ্যে সরকারের থেকে যেকোনও ধরনের প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা পায় এমন ব্যক্তিরা ‘যুবসাথী’র সুবিধা নিতে পারবে না; তবে স্কুল বা কলেজ ভিত্তিক স্কলারশিপ গ্রহণকারীরা ভাতার জন্য যোগ্য থাকবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
যদিও অনেকেই এই উদ্যোগকে রাজ্যের তরুণদের জন্য সহায়তার পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটেও ব্যাখ্যা করছেন। তবে এবার দেখার বিষয় এই স্বল্প সময়ে কতটা সুপরিকল্পিতভাবে এই প্রকল্পের আবেদনের কাজ শেষ হয়। Banglar Yuva Sathi











