দুর্গাপুজোয় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাতভর বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বারুইপুর পুলিশ জেলার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। মণ্ডপের নিরাপত্তা, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, প্রবেশ ও বেরোনোর পথ এবং যান চলাচল খতিয়ে দেখেন তাঁরা। পরিদর্শনে ছিলেন বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার অরবিন্দ কুমার আনন্দ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস, বারুইপুর থানার IC শান্তনু মিত্র সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা। (Baruipur Police)
নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশেষ নজর
বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে গিয়ে নিরাপত্তা ও ভিড় সামলানোর ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। মণ্ডপে পর্যাপ্ত প্রবেশ ও বেরোনোর পথ রয়েছে কি না, জরুরি নির্গমন পথ ঠিক রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা হয়। পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, ভিড় নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা এবং দর্শনার্থীদের চলাচলের ব্যবস্থাও পর্যালোচনা করা হয়। (Baruipur Police) পুজো কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ আধিকারিকরা। পরিদর্শনে কয়েকটি মণ্ডপে ছোটখাটো ত্রুটি নজরে আসে। সেগুলি দ্রুত সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশকর্মীদেরও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সুপার অরবিন্দ কুমার আনন্দ জানান, সিনিয়র আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে বড় পুজো মণ্ডপগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। অধিকাংশ জায়গাতেই ব্যবস্থা সন্তোষজনক। কয়েকটি ছোটখাটো সমস্যা সংশোধনের জন্য পুজো কমিটিগুলিকে বলা হয়েছে। সব দিক ঠিক থাকলে নির্বিঘ্নে দুর্গাপুজো সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী তিনি। (Baruipur Police)
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ২ হাজার কর্মী
পুজোর দিনগুলিতে যানজট এড়াতে বিশেষ ট্রাফিক পরিকল্পনা করেছে বারুইপুর পুলিশ জেলা। পুলিশ সুপার জানান, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায় ২ হাজার সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ৫০০ জন টিএইচজি কর্মী। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় নো-এন্ট্রি এবং যান চলাচল ঘুরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা কার্যকর করা হচ্ছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাফিক বিভাগের আধিকারিকরা।
পুলিশের দাবি, এখনও পর্যন্ত যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। পুজোর দিনগুলিতেও যাতে দর্শনার্থীরা কোনও সমস্যায় না পড়েন, তার জন্য নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থার উপর নিয়মিত নজরদারি চালানো হবে। (Baruipur Police)









