
গত বৃহস্পতিবার আচমকাই পদত্যাগের পথ বেছে নেন রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। ভোটের মুখে এই আকস্মিক পদত্যাগের কারণে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। প্রশ্ন তুলেছেন খোদ মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
রবিবার সকালে কলকাতায় অবতরণের পর অবশেষে নিজের মৌনতা ভাঙলেন সদ্য প্রাক্তন রাজ্য। তবে পদত্যাগের আসল কারণ নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। যার কারণেই রহস্য ঘনাচ্ছে সকলের মনে।
কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, পদত্যাগের কারণটি কনফিডেন্সিয়াল। সুতরাং সঠিক সময় এলেই সকলে জানতে পারবেন। তাঁর এই মন্তব্য কে ঘিরে শুরু হয়েছে জোড় রাজনৈতিক তরজা। তিনি আরও জানান, সব ক্ষেত্রেই প্রবেশ করলে প্রস্থান তো করতেই হবে। অগত্যা বোঝাই যাচ্ছে এই হটাৎ পদত্যাগের বিষয়ে মুখ খুলতে সম্পূর্ণ নারাজ বোস।
রাজভবনকে বিদায় জানিয়েছেন। তবে বাংলার সঙ্গে তাঁর যোগসূত্র আপাতত অক্ষুন্ন থাকবে বলেই দাবি করেছেন প্রাক্তন রাজ্যপাল। তিনি যে বাংলার ভোটার হিসেবে গর্বিত, সেটিও প্রকাশ পায় তাঁর বক্তব্যে। কলকাতায় আসবেন তিনি ভোট দিতে।
বাংলা নিয়ে কথা বললেও রাজ্যের বর্তমান প্রশাসনিক পরিস্থিতি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তাঁর কথায়, ‘আমি এখন প্রাক্তন রাজ্যপাল। সুতরাং এই বিষয়ে আমি কথা বলতে চাই না।’
শিলিগুড়িতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাম্প্রতিক মন্তব্য বা প্রোটোকল ভাঙার অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই প্রসঙ্গে বোস বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি যথেষ্ট অভিজ্ঞ মানুষ। তাঁর বক্তব্যের নিয়ে কোন মন্তব্য করা অনুচিত এবং অশালীন।’
এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগে রাজনৈতিক অভিসন্ধির যোগ দেখতে পেয়েছেন। সেই বিষয়ে পাল্টা কোনও মন্তব্য করেননি রাজ্যপাল।










