ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

Sandakphu Snowfall: ভরা বসন্তে অকাল তুষারপাত সান্দাকফুতে, এমন দৃশ্য কখনো দেখেননি, জানিয়েছেন বাসিন্দারা

Sandakphu Snowfall
---Advertisement---

শুক্রবার থেকে রাতভর টানা বৃষ্টিতে ভিজছে দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ। শনিবার সকালেও বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরেই উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় বৃষ্টি চলছে। তবে এই বৃষ্টি (Sandakphu Snowfall) আরও কয়েক দিন জারি থাকবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এই পরিস্থিতিতে দার্জিলিঙের সান্দাকফুতে ধরা পড়ল আবহাওয়ার অন্য ছবি। সেখানে প্রবল তুষারপাত হচ্ছে। ছয় ইঞ্চি পুরু বরফে ঢাকা পড়েছে সান্দাকফুর রাস্তাঘাট। বৃষ্টি এবং তুষারপাত— আবহাওয়ার দুই ছবি ধরা পড়ল উত্তরবঙ্গে। শীতের মরসুম পেরিয়ে বসন্তের শেষের দিক। মার্চের শেষের দিকে সান্দাকফুতে এমন তুষারপাত আবহাওয়ার খামখেয়ালি চরিত্র বলেই মনে করছেন আবহবিদেরা।

হঠাৎ সাদা বরফে ঢেকে গেল সান্দাকফু রাস্তা। শনিবার থেকে লাগাতার তুষারপাতের জেরে পর্যটকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রায় ছয় ইঞ্চি পুরু বরফে ঢেকে গিয়েছে রাস্তাঘাট। এই সময়ে এমন তুষারপাতকে অস্বাভাবিক বলেই মনে করছেন আবহবিদরা। এর জেরে শতাধিক পর্যটক আটকে পড়েছেন সান্দাকফু ও আশপাশের এলাকায়। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রবল তুষারপাতের কারণে পাহাড়ি রাস্তার পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ হচ্ছে। বিশেষ করে জওহরলাল নেহরু রোড আপাতত ১৫ মাইল পর্যন্ত খোলা থাকলেও তার পরবর্তী অংশে যাতায়াত কার্যত ব্যাহত। ফলে সান্দাকফুর সঙ্গে যোগাযোগ অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়েছে।

অন্য দিকে, উত্তর এবং পূর্ব সিকিমেও তুষারপাত চলছে। লাচেন থেকে থাঙ্গু এবং থাঙ্গু থেকে গুরুদোংমার (Sandakphu Snowfall) যাওয়ার রাস্তা বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি ইউমথাং থেকে জ়িরো পয়েন্টের রাস্তাও তুষারপাতের কারণে অচল হয়ে পড়েছে। চুংথাং থেকে লাচুং এবং মঙ্গন যাওয়ার একাধিক রাস্তা খোলা রয়েছে, যদিও হালকা যানবাহন ছাড়া বড় গাড়ি চলাচলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now