পুলিশের চোখে অনেকদিন ধরেই ছিল বারুইপুরে কৃষ্ণমোহন বাইপাস এলাকায়। কারণ এই রুটটি ধরেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে কলকাতা আর তার পাশের জেলাগুলিতে দ্রুত যাওয়া যায়। তদন্তকারীদের মতে রাতে এখানে তেমন নজরদারি থাকে না আর এইজন্যেই মাদক পাচারের জন্য এই ধরনের বাইপাস রাস্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশের কাছে আগেই তথ্য ছিল একটি মোটরবাইকে করে বিপুল পরিমাণ হেরোইন পাচার করা হবে। সেই অনুযায়ী বারুইপুর থানার অফিসারদের পাশাপাশি স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (SOG)-এর সদস্যরা নজর রাখতে শুরু করেন।(Drug Trafficking Case)
গভীর রাতে একটি বাইককে সেই রাস্তা দিয়ে পার হতে দেখলে পুলিশ দাঁড় করায় কিন্তু সেই বাইক আরোহী পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করে কিছু দূর যাওয়ার পরে পুলিশ তাদেরকে ঘিরে ফেলে ধরে নেয়। বাইকে ছিল আমিনুল গাজি আর পিছনে বসে ছিল মাসুদ আলি। তার ডান পা ছিল নকল। তল্লাশির চালালে তাদের কাছ থেকে বেরিয়ে আসে প্রায় ১.৮ কেজি হেরোইন, যার আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য আনুমানিক ৩ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। এই হেরোইন ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করে বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হয়। এও জানা যায় মাসুদ আলি তার ডান পা না থাকায় সেটিকেই ঢাল করে নকল পায়ের ভিতরেই লুকিয়ে রাখত মাদক যাতে পুলিশের সন্দেহ এড়ানো যায়।(Drug Trafficking Case)
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এই হেরোইন সম্ভবত আন্তর্জাতিক রুট (যেমন—বাংলাদেশ সীমান্ত হয়ে) ভারতে ঢুকেছে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা হয়ে তা কলকাতা ও শহরতলির বাজারে পৌঁছনোর কথা ছিল। ভোটের আগে এই পরিমাণ হেরোইন উদ্ধার পুলিশের কাছে বড় সাফল্য। পাশাপাশি এই চক্রের সঙ্গে আর কে কে যুক্ত তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
West Bengal Assembly Election: BJP-র থেকে টিকিট পাবেন অভয়ার মা? প্রকাশ্যে মতবিরোধ












1 thought on “Drug Trafficking Case: নকল পায়ের আড়ালে ৩.৬০ কোটি টাকার মাদক পাচার, বারুইপুরে গ্রেপ্তার ২”