কুলতলি থাকবে তাঁরই দখলে, এই বিশ্বাস নিয়েই মাঠে নেমে পড়েছেন গণেশচন্দ্র মণ্ডল। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে জিতে যে ধারা তিনি শুরু করেছেন তা এবারও অব্যাহত থাকবে। তাই প্রস্তুতি পর্বে কোন ত্রুটি রাখতে চান না গণেশ। নিজেই মাঠে নেমে খতিয়ে দেখে নিচ্ছেন সবকিছু।
রাজ্যে বারবার সরকার বদলালেও কুলতলি বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনৈতিক ছবি একেবারেই আলাদা ছিল এতদিন। স্বাধীনতার পর একবার কংগ্রেস জিতলেও, তার পরের দীর্ঘ সময় ধরে কংগ্রেস আর বামফ্রন্টের আমলেও এই কেন্দ্র মূলত SUCI-এর দখলেই ছিল। পরে ২০১১ এবং ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এখানে জয় পায় সিপিএম প্রার্থী। ফলে একটা সময় পর্যন্ত এমনটাই দেখা গিয়েছে, রাজ্যে যে দলই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, কুলতলি কেন্দ্রটা তাদের আওতার বাইরে থাকত।
তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সেই পুরনো ধারা ভেঙে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের গণেশচন্দ্র মণ্ডল (Ganesh Chandra Mondal)। ওই নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি বিধায়ক হন এবং কুলতলির রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়। এবারও দল তাঁর ওপর ভরসা রেখে আবার প্রার্থী করেছে তাঁকে।
প্রার্থী ঘোষণা হতেই দেরি না করে মাঠে নেমে পড়েছেন গণেশচন্দ্র মণ্ডল। দলীয় কর্মীদের নিয়ে ইতিমধ্যেই ভোটের কৌশল ঠিক করতে বৈঠক করেছেন। পাশাপাশি জোর কদমে প্রচারও শুরু করে দিয়েছেন। দেওয়াল লিখনেও তাঁকে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেখা যাচ্ছে।
গণেশচন্দ্র মণ্ডলের (Ganesh Chandra Mondal) দাবি, গত পাঁচ বছরে কুলতলিতে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ আর পানীয় জলের মতো জরুরি পরিষেবায় বেশ কিছু কাজ হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
আসন্ন নির্বাচনে নিজের জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী তিনি। শুধু জয় নয়, আগেরবারের থেকে আরও বেশি ব্যবধানে জয় পাওয়াই এবার তার মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন গণেশচন্দ্র মণ্ডল।











