Site icon Hindustan News Point

Roopa Ganguly Sonarpur Election 2026: ভোটের পর জোর করে বুথে ঢোকার অভিযোগ, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তৃণমূলের

Roopa Ganguly 1

দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে চড়ল রাজনৈতিক পারদ। বিজেপি প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশন ও সোনারপুর থানায় দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী লাভলী মৈত্র। (Roopa Ganguly Sonarpur Election 2026)

অভিযোগ অনুযায়ী, কালিকাপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাহেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবস্থিত ২৬৭ নম্বর বুথে ভোটগ্রহণ সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার পর আচমকাই সেখানে পৌঁছন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। অভিযোগ, কোনওরকম অনুমতি ছাড়াই তিনি নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে নিয়ে বুথে প্রবেশ করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয় তীব্র বচসা ও ধাক্কাধাক্কি।

তৃণমূলের দাবি, তাদের পোলিং এজেন্ট এবং কর্মীরা বিষয়টির প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, তখনই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী হস্তক্ষেপ করে এবং লাঠিচার্জ করে। এতে মহিলা-সহ একাধিক ব্যক্তি আহত হন। ঘটনার সময় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এবং কিছুক্ষণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। (Roopa Ganguly Sonarpur Election 2026)

এই প্রসঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী লাভলী মৈত্র কড়া ভাষায় বলেন, “ভোটগ্রহণ শেষ হয়ে যাওয়ার পর কোনও প্রার্থীর বুথে ঢোকার প্রশ্নই ওঠে না। এটা নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের সামিল। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছি।”

এদিকে, ঘটনাস্থলে থাকা এক ভোটিং এজেন্টের বিস্তারিত বয়ান অনুযায়ী, ভোট প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর তাঁরা বুথের বাইরে ছিলেন। সেই সময় হঠাৎ করেই রূপা গঙ্গোপাধ্যায় নিজের বাহিনী নিয়ে বুথে প্রবেশ করেন। অভিযোগ, এরপর পুলিশ ও সিআরপিএফ গেটে নিয়ন্ত্রণ কড়া করে এবং অন্য কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেয়নি। পোলিং এজেন্টরা ভিতরে ঢোকার দাবি জানালে তা মানা হয়নি। বরং রূপা গঙ্গোপাধ্যায় বুথের বিভিন্ন ঘর ঘুরে দেখেন এবং কিছু দরজা বন্ধ করে দেন বলেও অভিযোগ ওঠে। এই নিয়ে প্রতিবাদ শুরু হলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। ওই এজেন্টের দাবি, শুধু কর্মীরাই নন, তাঁর মা-সহ একাধিক মহিলার ওপরও লাঠিচার্জ করা হয় এবং ভিডিও তুলছিলেন এমন একজনকেও মারধর করা হয়। (Roopa Ganguly Sonarpur Election 2026)

যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি শিবির। তাঁদের দাবি, বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাড়িয়ে দেখানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে, ভোট পরবর্তী এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোনারপুর দক্ষিণে রাজনৈতিক সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। এখন নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই নজর রাজ্য রাজনীতির।

আরও পড়ুন : Mamata Banerjee: ‘বিজেপির লোক নেই, আমরা ২০০ পার করব’, ভোট দিয়ে আত্মবিশ্বাসী মমতা


Exit mobile version