রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

স্কুলের পাশেই ‘মদের বার’, রাতে বিরেতে বাড়ির দরজায় টোকা, মথুরাপুরে বিতর্কে প্রশাসন

---Advertisement---

স্কুলের একদম সামনেই রেস্টুরেন্ট কাম বার। রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে একাধিক গ্লাস ও বোতল। রাত হলেই এলাকায় অচেনা-অজানাদের আনাগোনা। স্কুলের এত কাছে মদের বার কীভাবে? সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এতো পাশে রেস্টুরেন্ট কাম বার তৈরি হওয়ায় তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর ২ নম্বর ব্লকের রায়দিঘি বিধানসভার দিঘীরপাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপলারখোঁপ এলাকার মানুষ (s24 parganas)।

s24 parganas: কী বলছেন এলাকাবাসীরা?

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এলাকায় রেস্টুরেন্ট কাম বার চালু হওয়ার পর থেকেই রাতের ঘুম উড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাঁদের দাবি, সরকারি নিয়ম না মেনেই স্কুলের সামনে তৈরি হয়েছে রেস্টুরেন্ট কাম বার। কিন্তু কেন নিয়ম মানা হচ্ছে না, তা নিয়েই উঠছে বড় প্রশ্ন।

স্থানীয়দের দাবি, বারটির প্রায় ফেরিঘাট এসএসকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের থেকে ৮০০ ফুট দূরত্বের মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে ৫০০ ফুটের মধ্যে রয়েছে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। পাশাপাশি হাজার ফুটের মধ্যেই রয়েছে সুভাষনগর হাইস্কুল। এতগুলি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকা সত্বেও এলাকায় কীভাবে মদের বার চালু হলো? অনুমোদনের সময় কি এই দূরত্বগুলি খতিয়ে দেখা হয়েছিল? প্রশ্ন তুলছেন এলাকার মানুষ।

অভিযোগ, বার চালু হওয়ার পর সন্ধ্যা নামলেই এলাকায় বাড়ছে মদ্যপানের হিড়িক। রাস্তাঘাটে যেখানে-সেখানে পড়ে থাকছে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের গ্লাস ও মদের বোতল। নষ্ট হচ্ছে এলাকার পরিবেশ। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, রাতের বেলায় বার বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর মদের খোঁজে কেউ কেউ আশপাশের বাড়ির দরজায় টোকা দিয়ে মদ পাওয়া যাবে কি না জানতে চাইছেন। ফলে আতঙ্ক ও অস্বস্তিতে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের মধ্যে একজনের কথায়, “রাত হলেই বাড়ির সামনে মদের আসর বসে। আমরা বার বার আপত্তি করেছিলাম। কিন্তু তবুও কেউ শোনেনা। পরের দিন ফের একই ঘটনা ঘটে।”

এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আবগারি দফতর থেকে শুরু করে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ জানানোর পরেও কেন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, নিয়ম যদি থাকে, তাহলে সেই নিয়ম মানা হচ্ছে কি না তা দেখার দায়িত্ব কার? আর নিয়ম না মানার অভিযোগ ওঠার পরেও প্রশাসন কেন চুপ?


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now

2 thoughts on “স্কুলের পাশেই ‘মদের বার’, রাতে বিরেতে বাড়ির দরজায় টোকা, মথুরাপুরে বিতর্কে প্রশাসন”

Comments are closed.