পরীক্ষার দিনেই ছাত্রের মৃত্যু। সোমবার স্কুল খুলতেই ধুন্ধুমার দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুভাষগ্রামের এক বেসরকারি স্কুলে। কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে প্রবল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকেরা।
গত বুধবার সুভাষগ্রামের ইংরাজী মাধ্যম ওই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র পৃথ্বীরাজ হালদারের পরীক্ষা ছিল। প্রতিদিনের মতোই সকাল ৮ টায় বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল সে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সেদিন সকাল ৮ টা ৪৮ মিনিট নাগাদ স্কুল থেকে বাড়িতে ফোন আসে। ওই ফোনে বলা হয় পৃথ্বীরাজ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তড়িঘড়ি করে তাকে স্থানীয় নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে সেখান থেকে সুভাষগ্রাম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই খবর পেয়ে ছাত্রের পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন পৃথ্বীরাজকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। স্কুলের তরফ থেকে কোনওরকম সহযোগিতা করা হয়নি বলে অভিযোগ পৃথ্বীরাজের বাবা রাজকুমার হালদারের।Schhol Student’s Death Protest
ছাত্র মৃত্যু ঘটনার পর থেকেই রবিবার পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিল করে ছুটি ঘোষণা করে বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলটি। আজ, সোমবার ফের স্কুল খোলার পর ব্যাপক ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকেরা। স্কুলের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। অভিভাবকেরা স্কুলের ঢুকতে চাইলে তাঁদেরকে বাধা দেন কর্তৃপক্ষ। ঘটনা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় স্কুল চত্বরে। শেষে একপ্রকার জোর করেই অভিভাবকেরা স্কুলের গেট খুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলার জন্য দাবি জানাতে থাকেন। এদিন স্কুলে ছাত্রদের পরীক্ষা ছিল। অভিভাবকদের অভিযোগ, পরীক্ষার সময় শেষ হয়ে যাওয়া সত্বেও পরীক্ষার্থীদের স্কুল আটকে রাখা হয়েছে। স্কুল চত্বরে উত্তেজনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল যায় পুলিশ। অবশেষে পুলিশের হস্তক্ষেপে স্কুলের পরীক্ষার্থীদের স্কুল থেকে বার করতে পারেন অভিভাবকেরা।
নার্সারি থেকেই ওই স্কুলে পড়াশুনো করত পৃথ্বীরাজ। মৃত ছাত্রের বাবা রাজকুমার হালদার পেশায় ব্যবসায়ী। তিন ছেলের মধ্যে পৃথ্বীরাজই সবার ছোট। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।Schhol Student’s Death Protest











