---Advertisement---
lifezone nursing home

Tista River Sand mafia: প্রশাসনের তৎপরতায় ট্রাক্টর-ডাম্পার ফেলে পলাতক অবৈধ বালি পাচারকারীরা

May 9, 2026 5:30 PM
Tista River Sand mafia
---Advertisement---

এতদিন নদীর পাড়ে জেসিবি বসিয়ে কাড়ি কাড়ি বালি পাচারের ব্যবসায় নিযুক্ত ছিল বালি পাচারকারীরা (Tista River Sand mafia)। তবে রাজ্যে পালা বদলের পর থেকেই তাদের টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই ছবি তিস্তার রংধামালি এলাকায়। শুক্রবার আর তিস্তা পাড়ে দেখা মেলেনি কোনও পাচারকারীর। স্থানীয়দের অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলে অবৈধ বালি খাদান তৈরি করে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা চালাচ্ছিল বালি পাচারকারীরা।

তিস্তার রংধামালি এলাকায় অবৈধ বালি খাদানে মহকুমা শাসকের হানাদারির পর স্থানীয়দের দাবি, শুক্রবার আর তিস্তা পাড়ে দেখা মেলেনি কোনও পাচারকারীর। নদীর চর থেকে একটি পোকলিন মেশিন বাজেয়াপ্ত করার পর একটিও ট্রাক্টর ও ডাম্পারের দাগ পড়েনি তিস্তার বালিতে। স্থানীয়দের দাবি, ‘রংধামালির এই অবৈধ খাদানটি পলাতক তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাসের বলে চিহ্নিত ছিল। তিস্তা নদীর এই অংশে প্রতিদিন পঞ্চাশ থেকে একশো ট্রাক, ডাম্পার, ট্রাক্টর ভরে বালি পাচার করা হত। পরপর আরও কয়েকটি খাদান রয়েছে, যা কৃষ্ণ দাসের অনুগামী প্রধান হেমব্রম, নন্দন ওরাও, লুতফুর রহমানদের বলে চিহ্নিত।’

সূত্রের খবর, বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা চালানোর ঘটনার পর সপরিবারে গা ঢাকা দেয় কৃষ্ণ দাস। একই সঙ্গে গা ঢাকা দেয় তাঁর ছায়া সঙ্গীরাও। রংধামালির বাসিন্দা বিকাশ রায় জানান, “বালি তোলার জন্য বাঁধ কেটে রাস্তা তৈরি করে নিয়েছিল। কিন্তু দেখেও বলার মতো সাহস কারও ছিল না। তারাও বাধ্য হয়ে চুপ করে থাকতেন।” মহকুমা শাসকের হানায় পাচারকারীরা গা ঢাকা দেওয়ায় কিছুটা হলেও স্বস্তিতে নদীর পাড়ের বাসিন্দারা।

একই অভিযোগ জলপাইগুড়ি খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত সদস্য জয়া সরকার বিশ্বাসের। জয়া জানান, “গত বছর বিবেকানন্দ পল্লীর বাঁধ ভেঙে এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। বালি মাফিয়াদের জন্যই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল গত বছর। বর্ষার পরেও বদলায়নি পরিস্থিতি।” কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পরেই নিজেদের গুটিয়ে নেয় বালি মাফিয়ারা।


Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment