দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের পর পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরার ব্লক তৃণমূল সভাপতি প্রদীপ কর। ‘আলিশান বাগানবাড়ি’ -র হদিশ। প্রদীপ করকে ‘আলিশান বাগানবাড়ি’ ঘিরে ক্রমশ তীব্র হচ্ছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলেই অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে তাঁর সম্পত্তি। ডেবরার বালিচক এলাকার বাসিন্দা প্রদীপ কর বর্তমানে বিপুল পরিমাণ জমি ও একটি বিলাসবহুল বাগানবাড়ির মালিক দাবি উঠেছে। বিষয়টি সামনে আসতেই এলাকায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা। (TMC Block President)
স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত প্রায় ১৫ বছরের মধ্যে শুধুমাত্র নিজের নামেই ৬৪ টি প্লট কেনা হয়েছে প্রদীপ করের। যার বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা বলে অনুমান করা হচ্ছে। বালিচক শহরের বাইরে পাকুই গ্রামের মাঠের মাঝখানে তৈরি হয়েছে তাঁর বিশাল বাগানবাড়ি। প্রায় সাড়ে তিন বিঘা জমির উপর গড়ে ওঠা ওই সম্পত্তিতে রয়েছে বড় পুকুর, সেখানে মাছচাষ, ফুল ও ফলের বাগান, উঁচু পাঁচিল ঘেরা এলাকা এবং বহুতল পাকা বাড়ি। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, আগে সেখানে একটি ছোট পুকুর ও ফাঁকা জমি ছাড়া কিছুই ছিল না। পরে ধাপে ধাপে জমি কিনে ওই বাংলো বাড়ি তৈরি করা হয়।
বিজেপি নেতা তথা স্থানীয় বাসিন্দা অসিত কুমার রাউতের অভিযোগ, “একসময় প্রদীপ করের তেমন আর্থিক সামর্থ্য ছিল না। সামান্য জমি ছিল, কিছুটা প্রোমোটারির কাজ করতেন। পরে তৃণমূলের সংগঠনে ধীরে ধীরে প্রভাব বাড়তে থাকে। অঞ্চল সভাপতির পর ব্লক সভাপতি হন। তারপর থেকেই দ্রুত সম্পত্তি বাড়তে শুরু করে।” তাঁর দাবি, “কোনও বড় ব্যবসা বা চাকরি না থাকা সত্ত্বেও এত সম্পত্তি কীভাবে তৈরি হল, তার তদন্ত হওয়া দরকার।” (TMC Block President)
স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পেতেন না। তবে রাজ্যে রাজনৈতিক পরিস্থিতির বদলের পর এখন অনেকে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। এলাকার এক বাসিন্দা জানান, আগে ওই জায়গায় শুধুই একটি পুকুর ছিল। পরে তা সংস্কার করে বাড়ি তৈরি করা হয়। আর এক স্থানীয় ব্যক্তি দাবি করেন, “আগে পুকুর আর জমি ছিল। পরে পাঁচিল ঘেরা বাংলো, পাকা বাড়ি সব তৈরি হয়েছে।” (TMC Block President)
বিজেপির অভিযোগ, কাটমানি ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়েই এই বিপুল সম্পত্তি গড়ে উঠেছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব। প্রদীপ করের তরফেও এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডেবরার রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চাপানউতোর। বিজেপির দাবি, গোটা সম্পত্তির উৎস খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। (TMC Block President)
বনগাঁয় তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে মধুচক্রের অভিযোগ, হাতেনাতে ধরা পড়ে আটক











