দ্বিতীয় দফার ভোটের একদিন আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা বিধানসভা কেন্দ্র। বিজেপি প্রার্থী সুব্রত ঠাকুরর বিরুদ্ধে গোবরডাঙ্গা, সুটিয়া, পাঁচপোতা ও জামদানি এলাকায় নিখোঁজের পোস্টার পড়েছে। (West Bengal Second Phase Election 2026)
দিন কয়েক আগে বনগাঁ জেলা বিজেপির মহিলা নেত্রী তনিমা সেন সুব্রত ঠাকুরের চরিত্র ও ঠাকুরবাড়ি মুক্ত গাইঘাটা নিয়ে প্রকাশ্যে সরব হয়েছিলেন। তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে সুব্রত ঠাকুরকে ‘চরিত্রহীন’ ও ‘লম্পট’ বলে অভিহিত করেছিলেন এবং প্রমাণ আছে বলেও দাবি করেছিলেন। পরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে তনিমা সেন ও সুব্রত ঠাকুরের মধ্যে বৈঠক হয় এবং ক্ষত প্রলেপ দেওয়া হয়। তনিমা সেন মনোনয়ন প্রত্যাহার করে ঐক্যের বার্তাও দিয়েছিলেন।
কিন্তু তারপরও বিজেপির অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যেন থামছে না। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, এই পোস্টার বিজেপির নিজেদের গোষ্ঠীকোন্দলেরই বহিঃপ্রকাশ।(West Bengal Second Phase Election 2026)
গোবরডাঙ্গা শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মনোজ কান্তি বিশ্বাস বলেন, “এটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তনিমা সেন স্পষ্ট করে বলেছিলেন সুব্রত ঠাকুর চরিত্রহীন ও লম্পট। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব হয়তো তাঁর সঙ্গে বোঝাপড়া করেছে, কিন্তু অন্য কর্মী-সমর্থকরা এখনও বিক্ষুব্ধ।”(West Bengal Second Phase Election 2026)
তিনি আরও বলেন, “গত পাঁচ বছর ধরে সুব্রত ঠাকুরকে গাইঘাটার মানুষ দেখেননি। এটা তাদের রাগের বহিঃপ্রকাশ। সুব্রত ঠাকুর মতুয়া ধর্মের হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ ঠাকুরের বংশধর। তাঁকে সামনে রেখে মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যবসা করা হচ্ছে, যা মতুয়া ভাইরা পছন্দ করছেন না। ঠাকুরবাড়ি জঞ্জালমুক্ত করার দাবি উঠছে।”
অন্যদিকে বিজেপি নেতা কাজল সেন এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, “এটা পুরোপুরি তৃণমূলের কারসাজি। বিজেপির মধ্যে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই। তৃণমূল এই ধরনের ন্যাক্কারজনক কাজ করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আমরা উন্নয়নের রাজনীতি করি, ব্যক্তিগত চরিত্র নিয়ে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি আমাদের সংস্কৃতি নয়।”(West Bengal Second Phase Election 2026)
ভোটের ঠিক আগের দিন এই ঘটনায় গাইঘাটা কেন্দ্রে বিজেপির অস্বস্তি আরও বেড়েছে। তৃণমূল দাবি করেছে, এটা বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলেরই প্রমাণ।
আরও পড়ুন :Ajay Pal Sharma: চিকিৎসক থেকে IPS, ২২ মাসে ১৩৬টা এনকাউন্টার, কে এই অজয় পাল শর্মা?










