নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিমস্টেকভু্ক্ত দেশগুলির বৈঠক। বিমস্টেকের অন্যতম সদস্য দেশ বাংলাদেশ। তবে এই শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। এর পরিবর্তে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আমলা সচিব মনজুর মোরশেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সেখানে ঢাকার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবে। সোমবার বিমস্টেকের সদস্য দেশগুলির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে। মঙ্গলবার সদস্য দেশগুলির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে (bimstec meet in delhi)।
bimstec meet in delhi: ঢাকার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন কে?
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউন জানিয়েছে, মনজুর মোরশেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল দল ঢাকার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবে। ঢাকা ট্রিবিউনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিনিধিদলে থাকবেন বিদেশমন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব (যিনি সার্ক, বিমসটেক ও অন্যান্য অগ্রাধিকারমূলক বিষয় দেখভাল করেন) এ কে এম শহিদুল করিম এবং যুগ্ম সচিব রেবেকা খান (bimstec meet in delhi)।
বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে দেশছাড়া শেখ হাসিনা। তারপর থেকেই শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। সেই ঘটনার পর থেকেই ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে পড়শি দেশের। কূটনৈতিক সম্পর্কেও চির ধরেছে। মাস কয়েক আগে বাংলাদেশে নির্বাচন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর গদিতে এখন বিএনপি নেতা তারেক রহমান। তবুও বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কে কোনও উন্নতি হয়নি।
‘বে অফ বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন’ বা বিমসটেক (BIMSTEC)-এর সদস্য দেশগুলি হলো বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মায়নামার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী ও এর পার্শ্ববর্তী দেশগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা বৃদ্ধি করাই এই জোটের লক্ষ্য। বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের এই উদ্বোধনী বৈঠকের উদ্দেশ্য হলো দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করা। বৈঠকে প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা পর্যালোচনা করবেন এবং আইন প্রয়োগ, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ও সন্ত্রাসবাদ ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে সমন্বয় বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।












