তাঁর মৃত্যু নিয়ে ভুয়ো তথ্য দেওয়া হয়েছিল। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-র স্ত্রী মানসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদেহ জীবিত রয়েছেন। তবে নিরাপত্তার কারণে তিনি কোথায় রয়েছেন, তা গোপনেই রাখা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজকে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস এমনটাই জানিয়েছে। দিন কয়েক আগে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছিল, ইজ়রায়েল-আমেরিকার যৌথ হামলায় মৃত্যু হয়েছে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের স্ত্রীর। ইরানের সরকারি টিভি চ্যানেলও খামেনেইয়ের স্ত্রীর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে এনেছিল। (Mansoureh Bagherzadeh)
গত ২৮ ফেব্রুফেব্রুয়ারি ইরানের উপরে মার্কিন-ইজরায়েল যৌথ হামলা চালায়। ওই দিন তৎকালীন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই শীর্ষ আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। সে সময়ই আমেরিকার ছোড়া শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রে আঘাতে খামেনেই-র মৃত্যু হয়। পাশাপাশি ইরানের একাধিক আধিকারিক-সহ খামেনেইয়ের মেয়ে, জামাই, নাতি-নাতনিরও মৃত্যু হয় বলে ইরানের সংবাদমাধ্যম দাবি করে। হামলায় গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় মানসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদেহ-কে। পরে তিনি মারা যান বলে সংবাদে প্রকাশ হয়। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সে খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। (Mansoureh Bagherzadeh)
কিন্তু ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই বৃহস্পতিবার বিবৃতিতে মায়ের মৃত্যুর কথা উল্লেখ না করার পর বিষয়টি সামনে আসে। এর আগে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সহ ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদনে মানসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদেহ-কে শহিদ বলে উল্লেখ করেছিল। কিন্তু পরে ইরানের সংবাদমাধ্যম জানায়, সেই খবর ঠিক নয়। ইরানের রাজনৈতিক মহলেও তাঁর মৃত্যুর কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে। বেঁচে রয়েছেন মানসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদেহ। (Mansoureh Bagherzadeh)











