মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবার যেন ভাগ্যবিধাতা। ইরানের ভাগ্য নির্ধারণ করছেন স্বয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্প ( Donald Trump)। ঠিক এমনটাই সুর শোনা গেল তাঁর গলায়। তিনি জানিয়েছেন, ইরান নিঃশর্ত আত্মসমর্পন করুক। তারপর নিশ্চয়ই তিনি ইরানের ভাগ্য ও ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাববেন (US-Iran war)।
বৃহস্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে লেখেন, ইরানের কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পনের পথ খোলা। চূড়ান্ত কোনও কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ইরান এই পথটি বেছে নিক। ইরানের যদি কোনো যোগ্য নেতা থেকে থাকেন তবে তাঁকে নির্বাচিত করা হবে। ইরানকে ধ্বংসের মুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে খোদ আমেরিকা এবং অন্যান্য মিত্র দেশগুলি। নতুন নেতৃত্বের সঙ্গেই অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের এবং পুনরায় দেশটিকে শক্তিশালী করা হবে।

ইরানের এই সংকটে একেবারে মূর্তিমান উদ্ধারকর্তা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছেন ট্রাম্প। যদিও এই সংকটের কারণ প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে তিনিই। ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও জানান, ভেনেজুয়েলার মতোই ইরানের নতুন নেতৃত্ব খুঁজতে চান তিনি। ইরানের ভবিষ্যৎ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে চান ট্রাম্প।
যুদ্ধের অষ্টম দিনেও একেবারে সপ্তমে যুদ্ধের মেজাজ। প্রথমদিকে যদিও মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে আক্রমণ করছিল ইরান। তবে এইবার গোটা মধ্যপ্রাচ্যে জুড়েই যারপরনাই হামলার পথ নিয়েছে তেহরান। ইরাকের সঙ্গেই প্রতিবেশী কুয়েত, সৌদি আরব, আরব আমিরশাহী, বাহরিন, ওমান, জর্ডনে বেপরোয়া হামলা চালাচ্ছে ইরান। ( US-Iran war)
বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই হামলার কারণে ইরানের বন্ধু রাষ্ট্রগুলি ক্রমশ শত্রুতে পরিণত হচ্ছে। ইতিমধ্যেই পাল্টা হুমকি দিয়েছে সৌদি আরব। সব দিক বিবেচনা করেই বোঝা যাচ্ছে বেশ কোনঠাসা ইরান। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দরাজ কণ্ঠের এই আশ্বাসবাণী কতটা মেনে নেবে বা আধোও কী মেনে নেবে ইরান! নাকি একলা চলো পন্থা অবলম্বন করে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। সেটাই এখন দেখা বাকি।












