আন্দামান সাগরে ট্রলার ডুবে ২৫০ জনেরও বেশি নিখোঁজের আশঙ্কা। বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে মালয়েশিয়াগামী যাত্রীবোঝাই ওই ট্রলারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। জানা গিয়েছে, ওই ট্রলারে ২৫০ জনেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। নিখোঁজদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মহিলা ও শিশু রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। (Andaman Sea Tragedy)
রাষ্ট্রসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম- এক যৌথ বিবৃতিতে একথা জানিয়েছে। বলা হয়েছে, প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া, উত্তাল সমুদ্র এবং অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের কারণে ট্রলারটির বিপর্যস্ত হয় । তীব্র হাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। (Andaman Sea Tragedy)
জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে ট্রলারটি উল্টে যাওয়ায় অনেকেই লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই সমুদ্রের পড়ে যান। মুহূর্তের মধ্যে আর্তনাদ ও সাহায্যের আকুতি। (Andaman Sea Tragedy) উদ্ধারকারী দল ইতিমধ্যে কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষের খোঁজ মেলেনি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে একাধিক উদ্ধারকারী জাহাজ ও হেলিকপ্টার মোতায়েন হয়েছে। নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে এবং উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের নিকটবর্তী চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল থাকায় উদ্ধারকাজ চ্যালেঞ্জের মুখে। মৃতের সংখ্যা কত, তা এখনও নিশ্চিত নয়। (Andaman Sea Tragedy)
এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ ছড়িয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলি দ্রুত তদন্তের পাশাপাশি সমুদ্রপথে শরণার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে। দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুতি ও স্থায়ী সমাধানের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এই যাত্রায় মানুষ কেন বারবার পা বাড়াচ্ছেন, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হলে বিস্তারিত জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।











1 thought on “Andaman Sea Tragedy: আন্দামান সাগরে ভয়াবহ ট্রলারডুবি, নিখোঁজ আড়াই শতাধিক শরণার্থী”