ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ইউনিয়ন রুমে উইয়ে খাওয়া টাকার পাহাড়! দুর্নীতির অভিযোগ সজল ঘোষের

money Corruption
---Advertisement---

কলকাতায় ফের টাকার পাহাড়। বাংলায় নতুন নয়, বছর চারেক আগে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবীর ফ্ল্যাট থেকে টাকার পাহাড় উদ্ধার হয়েছে। এবার কলকাতার ঐতিহ্যবাহী সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ইউনিয়ন রুম থেকে উদ্ধার দু’ব্যাগ ভর্তি টাকা। তবে সেই টাকা আস্ত নেই। উঁই পোকায় খেয়েছে সেগুলি।

জানা গিয়েছে, মশার লার্ভা যাতে না হয়, সেজন্য মঙ্গলবার কলকাতা পৌরনিগমের তরফে আধিকারিকরা এসে সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ইউনিয়ন রুমের তালা ভাঙতে বলেন। সাফাই কর্মচারীরা অধ্যাপকদের অনুমতি নিয়ে তালা ভাঙেন। তারপর আলমারি থেকে দুই ব্যাগ ভর্তি টাকা পাওয়া যায়। প্রশ্ন উঠছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইউনিয়ন রুমে লক্ষ লক্ষ টাকা এল কোথা থেকে? (Money Corruption)

মঙ্গলবার পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে বিকেলের দিকে তারা খরব পান সুরেন্দ্রনাথ কলেজের কর্মীরা সুরেন্দ্রনাথ ডে কলেজ ও সুরেন্দ্রনাথ ইভনিং কলেজের অধ্যক্ষদের উপস্থিতিতে কলেজের পিছনের দিকের একটি গুদামঘর পরিষ্কার করছিলেন। সেই সময়ে সেখানে রাখা দুটি সুটকেসের মধ্যে ময়লা অবস্থায় থাকা প্রচুর ১০০ এবং ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার করা হয়েছে।

সরকারি ত্রাণ চুরি, গ্রেফতার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

এই নিয়ে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, ‘এই জীবনে আর কী দেখতে হবে। তৃণমূলের ছাত্রনেতারা কলেজের ইউনিয়ন রুমের আলমারিতে লাখ লাখ টাকা সরিয়ে রেখেছে। সেই টাকা উইতে খেয়েছে। কত টাকা থাকলে পরে টাকা উইতে খায়। এই সমস্ত টাকা জনতা টাকা, গরিবের টাকা। এই টাকার বিনিময়ে ভর্তি বিক্রি করা হয়েছে। এদের পুলিশ কিছুই করেনি। এদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। তবে পুলিশ কিছুই করেনি। এদেরকে গ্রেপ্তার করা হোক।’ (Money Corruption)

টাকা উদ্ধারের খবর ছড়াতেই দ্রুত সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। কলেজের দু’জন প্রিন্সিপাল নিজেদের মধ্যে জরুরি আলোচনা সেরে এই বিষয়ে পুলিশের কাছে একটি অভিযোগও দায়ের করেছেন বলে খবর।


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now