২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণে (West Bengal Election 2026) রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর আসছিল। রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি বা সংঘর্ষের ছবিও ধরা পড়েছে বহু জায়গায়। তবে ভোটারদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ধস্তাধস্তির ছবি নজিরবিহীন। এমনই এক ছবি প্রকাশ্যে এল। এই ঘটনায় কমপক্ষে আহত ছয়জন জওয়ান। আহত ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশকর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ।
অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে বীরভূমে পা রাখা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা এবার দুষ্কৃতীদের নিশানায়। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের দুবরাজপুর বিধানসভা এলাকায়। বৃহস্পতিবার বিকেলে যখন ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া প্রায় শেষের দিকে, তখনই আচমকাই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, কর্তব্যরত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের লক্ষ্য করে অতর্কিত ইটবৃষ্টি শুরু করে একদল উন্মত্ত জনতা। মুহূর্তের মধ্যে বৃষ্টির মতো ইট পড়তে থাকে জওয়ানদের লক্ষ্য করে। আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েন খোদ রক্ষীরা।
জওয়ানদের পাশাপাশি দুষ্কৃতীদের হাত থেকে রেহাই পায়নি পুলিশের গাড়িও। পুলিশের একটি গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়, যার কাচ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আহত জওয়ানদের উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কোনও প্ররোচনা ছাড়াই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বাড়ির ভেতর ঢুকে সাধারণ মানুষকে মারধর করেছেন এবং ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করেছেন। বাহিনীর এই ‘অতিসক্রিয়তা’র জেরেই জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং পাল্টা আক্রমণ চালায় বলে দাবি গ্রামবাসীর। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করেনি নির্বাচন কমিশন।
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে প্রায় ৭২৫ কোম্পানি এবং ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে (West Bengal Election 2026) ৯২০ কোম্পানি বাহিনী থাকা সত্ত্বেও হিংসা রোখা যায়নি। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে প্রায় তিন গুণ বাহিনী মোতায়েন করেও খোদ রক্ষীরাই আক্রান্ত হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।












https://shorturl.fm/ilimt
https://shorturl.fm/0k5Bw