২৯ এপ্রিল রাজ্য দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন। প্রথম দফা মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে মিটলেও দ্বিতীয় দফার আগেই বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির ছবি ধরা পড়ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শাসকদলের সঙ্গে বিজেপির সংঘর্ষ সামনে আসছে। আর এই নিয়েই এবার সরাব হলেন বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী।
বাম নেতার দাবি, দ্বিতীয় দফার ভোট শান্তিপূর্ণভাবে করতে হলে নির্বাচন কমিশনকে আরও সতর্ক হতে হবে। তিনি গোঘাট, জগদ্দল, সল্টলেকে দুই বিরোধী শিবিরের মধ্যে অশান্তির মতো বিক্ষিপ্ত ঘটনাগুলির করা ভাষায় ভৎসনা করেন। (West Bengal Election)
তিনি বলেন, “নির্বাচনকে সামনে রেখে অসভ্যতা করার সুযোগ যাতে কেউ না পায় সেটা দেখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।” শুধু ভোটার তালিকার থেকে নম্বর দিলেই হবে না বরং নির্বাচনকে সফল করাই কমিশনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত এমনটাই মনে করছেন বাম নেতা।
এদিন তিনি বলেন, প্রথম দফার নির্বাচন শেষে বিজেপি এবং তৃণমূল উভয়ই নিজেদের জায়গাটা বুঝে গেছে এবং সেই ভয় থেকেই বারবার সাংবাদিকদের ডেকে কে কত আসন পাবেন সেই অঙ্কটা বুঝিয়ে দিতে হচ্ছে। তবে তৃণমূল এবং বিজেপির কথা যদি মানতে হয় তবে নাকি দুই দল মিলে ‘২৪০ আসন’ পেয়ে গেছে। ‘অঙ্কে ডাহা ফেল’ বলে কটাক্ষ করেন সুজন চক্রবর্তী। এই নির্বাচনে বামেরা নির্ণায়ক শক্তি হবে, আশাবাদী বর্ষীয়ান বাম নেতা। (West Bengal Election)
TMC vs BJP: স্ট্রংরুমের বাইরে ‘অবৈধ জমায়েত’, তৃণমূলকে নিশানা বিজেপির
দ্বিতীয় দফা নির্বাচন শেষ হলেই বামেরাই এবার ‘নির্ণায়ক শক্তি’ হবে এবং তৃণমূল বিজেপির বদলা এবং বদলের রাজনীতি থেকে সরে এসে আসল গণতন্ত্রের রাজনীতি উদযাপিত হবে বাংলায়, আশ্বাস দিলেন সুজন চক্রবর্তী। বাংলাতে বাঁচানোর জন্য মানুষকে বাংলা থেকে তাড়িয়ে নয় বরং বাংলাতে থেকেই কীভাবে দুষ্কৃতীরাজ বন্ধ করা যায় সেটাই করে দেখাবে বাম শিবির। তিনি আরোও বলেন, “বহু মানুষ আগে বিভ্রান্ত হয়েছিলেন তবে এবার তারা আবার বামেতেই ফিরছেন। এই নির্বাচন বাংলাকে বাঁচানোর নির্বাচন।” ৪ তারিখ ফলাফল ঘোষণার পরে তৃণমূল, বিজেপি নয় বরং লাল ঝান্ডারই জয় হবে মনে করছেন সুজন চক্রবর্তী।









