তিনি ভাঙবেন তবুও তিনি মচকাবেন না। এখন প্রাক্তন হয়েও তিনি নিজেকে প্রমাণ করতে ব্যস্ত তিনি প্রাক্তন নন। সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে বদলে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বায়ো (Mamata Banerjee Facebook Bio)। ফেসবুক, ইনস্টা, এক্স হ্যান্ডলের বায়োতে তৃণমূল সুপ্রিমো লিখলেন, তিনি তিনবারের বিধানসভার মুখ্যমন্ত্রী (Mamta Banerjee)। কিন্তু কোনওভাবেই ‘প্রাক্তন’ শব্দটি ব্যবহার করলেন না।
পরাজয়ের ধাক্কায় তাসের ঘরের মতো বিধানসভা ভেঙেছে, আসন সংখ্যা ৮০-তে ঠেকেছে, তবুও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee Facebook Bio) মচকানোর পাত্রী নন। অন্তত তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার ‘বায়ো’ তাই বলছে।
সাধারণত ক্ষমতা গেলে নামের আগে একটি ছোট ‘প্রাক্তন’ শব্দ জুড়ে দেওয়াই দস্তুর। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোশ্যাল মিডিয়া খুললে দেখা যাচ্ছে এক অদ্ভুত ভাষাগত চতুরতা। সেখানে তিনি লিখিছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ (১৫তম, ১৬তম এবং ১৭তম বিধানসভা)’। অর্থাৎ বায়োর কোথাও প্রাক্তন কথা তিনি লেখেননি। বরং তিনি যে তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সেটাই বরাই করেছেন বায়োতে।
উল্লেখ্য, ১৫ বছর আগে, ২০১১ সালেও পালাবদল দেখেছে বাংলা। ৩৪ বছরের বামশাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলার রাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দিয়েছিল মানুষ। সেবার ভোটগণনার বিকেলে ফল বুঝতে পেরেই রাজ্যপালের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। মনে করা হয়েছিল সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি ঘটবে ২০২৬-এ। কিন্তু সেগুরে বালি। প্রাক্তন কথাটা মেনেই নিতে পারছেন না তিনি।
অন্যদিকে, কলকাতা পুলিশের সরকারি এক্স অ্যাকাউন্টে ফলো ও অনুসরণ করার ক্ষেত্রে দেখা গেল রদবদল! পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পূর্বতন শাসকদল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘ফলো’ করা বন্ধ করে দিল তারা। কলকাতা পুলিশের সরকারি অ্যাকাউন্ট যাঁদের ‘ফলো’ করছে, সেই তালিকায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং তাঁর দফতরকেও ‘ফলো’ করছে কলকাতা পুলিশের এক্স অ্যাকাউন্ট।










