---Advertisement---
lifezone nursing home

Sourav Ganguly: “মোহনবাগান মানেই টুটু বসু”, সৌরভের কণ্ঠে স্মৃতির ভার

May 13, 2026 6:04 PM
Sourav Ganguly
---Advertisement---

ভারতীয় ফুটবলজগতের এক আবেগঘন অধ্যায়। টুটু বসুর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ শুধু মোহনবাগান নয়, গোটা ময়দান। আর সেই আবেগই যেন ধরা পড়ল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Sourav Ganguly) গলায়। তাঁর গলায় ছিল স্মৃতি, শ্রদ্ধা আর এক গভীর ব্যক্তিগত শূন্যতার অনুভব।

সৌরভ (Sourav Ganguly) বলেন, “মোহনবাগান ক্লাব মানেই টুটু বসু। ফুটবলে মোহনবাগানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে টুটুদার ভূমিকা ছিল অতুলনীয়।” শুধু একজন প্রশাসক নন, টুটু বসু ছিলেন ময়দানের আবেগের আরেক নাম। সময়ের সঙ্গে অনেকেই ধীরে ধীরে চলে যান, কিন্তু টুটুদা শেষদিন পর্যন্ত ছিলেন ক্লাবের সঙ্গে, মানুষের সঙ্গে। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি।

সৌরভের (Sourav Ganguly) কথায় বারবার ফিরে আসে পুরনো দিনের ছবি। মোহনবাগানের হয়ে খেলা, ফুটবল দেখা, ক্লাবের অন্দরমহলের অসংখ্য মুহূর্ত— সবকিছুর সঙ্গেই জড়িয়ে ছিলেন টুটু বসু। (Sourav Ganguly) তিনি বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে চিনতাম। অনেক স্মৃতি আছে। সারাজীবন কেউ থাকেন না… পল্টুদা, টুটুদা, চুনি গোস্বামী— একে একে সবাই চলে যাচ্ছেন।”

এই বিদায় যেন শুধু একজন প্রাক্তন সভাপতির নয়, এক যুগের বিদায়। যে যুগে ক্লাব মানে ছিল সম্পর্ক, আবেগ, আত্মীয়তা। যেখানে পরিচালক, খেলোয়াড়, সমর্থক— সবাই মিলে তৈরি করত এক পরিবারের গল্প।

আজ ময়দানের বাতাস ভারী। সবুজ-মেরুন আবেগে মিশে আছে একটাই অনুভূতি— “মোহনবাগান আর টুটু বসু, যেন একই নাম।” তাঁর অবদান, তাঁর ভালোবাসা, তাঁর উপস্থিতি চিরকাল থেকে যাবে ক্লাবের ইতিহাসে, সমর্থকদের হৃদয়ে।


Ishani Halder

ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা ও ক্রিকেটের খবরের প্রতি আলাদা আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই সাংবাদিকতায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। মূলত খেলার খবর লিখতেই বেশি ভালো লাগে, পাশাপাশি রাজনীতি, ভাইরাল ও বিভিন্ন চলতি বিষয় নিয়েও খবর লিখতে বিশেষ আগ্রহী। খেলাধুলা দেখতে ও তার বিভিন্ন দিক নিয়ে জানতে ভালো লাগে। দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। লেখালিখির পাশাপাশি বই পড়তে খুব ভালো লাগে এবং নতুন বিষয় জানতে সবসময় আগ্রহী।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment