ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও পরিস্থিতি যে এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি, সোমবার ফের তারই প্রমাণ মিলল। মার্কিন সেনাবাহিনী দক্ষিণ ইরানে একাধিক ‘সেল্ফ-ডিফেন্স’ বা আত্মরক্ষামূলক হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্সের দাবি, ইরানি বাহিনীর সম্ভাব্য হুমকি থেকে মার্কিন সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। যদিও একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধবিরতির কথা মাথায় রেখে সংযমও দেখিয়েছে আমেরিকা। (US Military)
মার্কিন বাহিনীর নিশানায় ছিল দক্ষিণ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং সমুদ্রে মাইন পাতছিল এমন কিছু নৌযান। ইরানের তরফে সরকারি প্রতিক্রিয়া তৎক্ষণাৎ না মিললেও, তেহরানের ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ‘তাবনাক’ জানিয়েছে, আমেরিকার হামলায় অন্তত চার জন রেভলিউশনারি গার্ড সদস্য নিহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনও স্ট্রেট অব হরমুজের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর শহর, বন্দর আব্বাসের কাছে বিস্ফোরণের খবর সম্প্রচার করেছে। উল্লেখ্য, ওই অঞ্চলেই রয়েছে সামরিক বন্দর ও দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য বিমানবন্দর। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ এই হরমুজ প্রণালীর উপর নির্ভরশীল হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। (US Military)
এই উত্তেজনার মাঝেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা “খুব ভালোভাবেই এগোচ্ছে”। তবে সেইসঙ্গে তিনি নতুন বিতর্কও উসকে দিয়েছেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভবিষ্যতের যে কোনও ইরান সংক্রান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে আরও কয়েকটি মুসলিম দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এ যোগ দিতে হবে। (US Military)
এদিকে পাকিস্তানের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাসুদ খানও বলেছেন, আব্রাহাম অ্যাকর্ডসকে আলোচনায় টেনে এনে ট্রাম্প গোটা কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে নতুন মাত্রা দিয়েছেন। যদিও তাঁর দাবি, এখনও আলোচনার রাস্তা খোলা রয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। (US Military)
ট্রাম্পের ফোনে মোদি-র প্রশংসার বন্যা, দিল্লির মঞ্চেই বললেন “আমি মোদিকে ভালবাসি”












