---Advertisement---
lifezone nursing home

মেয়র পদ থেকে ইস্তফা কৃষ্ণা চক্রবর্তীর, এবার কী বিধাননগরও হাতছাড়া তৃণমূলের?

June 4, 2026 3:43 PM
Krishna chakraborty Resigns
---Advertisement---

একের পর এক পদত্যাগ চলছে। এবার বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদ ছাড়লেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। বিধাননগর পুরনিগমের কমিশনারের কাছে পদত্যাগের চিঠি জমা দিয়েছেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। সূত্রের খবর, রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং দফতরের সচিবের কাছেও পদত্যাগপত্রের কপি পাঠিয়েছেন কৃষ্ণা (Krishna chakraborty Resigns)।

বিধানসভা ভোটে হারার পর এখন কার্যত ল্যাজেগোবরে অবস্থা তৃণমূলের। একের পর এক নেতা, কাউন্সিলর গ্রেফতার হচ্ছেন দুর্নীতি, তোলাবাজির অভিযোগে। পাশাপাশি পদত্যাগেরও হিড়িক বাড়ছে। ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া তৃণমূল। পরিষদীয় দলের রাশ দলবদলু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। যা নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। আর এই পরিস্থিতির মাঝেই বুধবার পদত্যাগ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাতে সম্মতি জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করলেন বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী (Krishna chakraborty Resigns)।

কৃষ্ণা বলেন, “সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করছি। আমি যে ভাবে কাজ করতে চাইছিলাম, সে ভাবে পারছিলাম না। বোর্ড মিটিং হচ্ছিল না, কাউন্সিলররা আসছিলেন না। আধিকারিকেরাও ব্যস্ত থাকছিলেন। আমি মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতে পারব না।”

মেয়র হিসাবে আরও প্রায় আট মাসের মেয়াদ বাকি ছিল কৃষ্ণার। ২০১৯ থেকে ২০২২, তার পর ২০২২ থেকে ২০২৬-এর ৪ জুন পর্যন্ত দু’দফায় বিধাননগরের মেয়র পদে ছিলেন কৃষ্ণা। ২০১৯-এর আগে বিধাননগরের মেয়র ছিলেন সব্যসাচী দত্ত। তার পর সব্যসাচীকে সরিয়ে কৃষ্ণাকে মেয়র পদে নিয়ে আসে তৃণমূল।

ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা কৃষ্ণা বেশ কয়েক দশক ধরেই মমতার ঘনিষ্ঠ। প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত তিনি। রাজারহাট-গোপালপুর পুরসভা এবং নিউটাউনকে সল্টলেকের সঙ্গে জুড়ে পুরনিগম গঠিত হওয়ার আগে পর্যন্ত যে পুরসভা সল্টলেকের নাগরিক পরিষেবার দায়িত্বে ছিল, সেই বিধাননগর পুরসভার প্রধান ছিলেন কৃষ্ণা। তবে কী এবার তিনিই তৃণমূলের হাত ছাড়তে চলেছেন? সবই সময়ের অপেক্ষা।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

1 thought on “মেয়র পদ থেকে ইস্তফা কৃষ্ণা চক্রবর্তীর, এবার কী বিধাননগরও হাতছাড়া তৃণমূলের?”

Leave a Comment