দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের (Baruipur Theft) বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে ফের দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা সামনে এল। সদর দরজার তালা অক্ষত রেখেই রান্নাঘরের দেয়াল ভেঙে বাড়ির ভেতরে ঢুকে নগদ টাকা, সোনার গয়না, মূল্যবান বাসনপত্র থেকে শুরু করে একাধিক নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। (Baruipur Theft)
ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুর থানার অন্তর্গত কল্যাণপুর–কুন্দরালী এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির মালকিন লক্ষ্মীরাণী বসাক কয়েক দিন আগে শারীরিক অসুস্থতার কারণে মেয়ের বাড়িতে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ হলে মাঝেমধ্যেই তিনি কয়েকদিনের জন্য মেয়ের বাড়িতে থাকেন। এবারও প্রায় চার থেকে পাঁচ দিন বাইরে ছিলেন তিনি। (Baruipur Theft)
বাড়ি ফিরে প্রথমে কোনও অস্বাভাবিকতা চোখে পড়েনি। সদর দরজার তালা যেমন দিয়ে গিয়েছিলেন, তেমনই ছিল। কিন্তু তালা খুলে ঘরে ঢুকতেই সন্দেহ হয় তাঁর। দেখেন, ভেতরের দরজা খোলা, ঘরের জিনিসপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এবং আলমারির দরজা হাট করে খোলা। এরপর রান্নাঘরে গিয়ে দেখা যায় দেয়ালের একটি অংশ ভাঙা। অভিযোগ, ওই ভাঙা অংশ দিয়েই চোরেরা বাড়ির ভিতরে ঢোকে। (Baruipur Theft)
লক্ষ্মীদেবীর দাবি, আলমারিতে রাখা প্রায় ২০ হাজার টাকা নগদ, সোনার গয়না, পিতল ও কাঁসার বাসন, স্ট্যান্ড ফ্যান, প্রেসার কুকার-সহ বহু গৃহস্থালির জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এমনকি মেয়ের বিয়ের সময়ের কিছু সামগ্রীও ছাড়েনি চোরেরা। রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডার ও ওভেন রাখার জায়গাও সরানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরে বাথরুমের দিক দিয়ে চুরি করা জিনিস বাইরে বার করা হয়েছে বলেও অনুমান পরিবারের।
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় পৌঁছয় বারুইপুর থানার পুলিশ। তদন্ত শুরু হয়েছে। কীভাবে এত পরিকল্পনা করে চুরি হলো, তার খোঁজ চলছে। তবে পরপর চুরির ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে বারুইপুরের বিভিন্ন এলাকায় চুরির ঘটনা বাড়ছে। তাই রাতের টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি তুলেছেন তাঁরা। (Baruipur Theft)
আরও পড়ুন :- কন্যাসন্তান জন্মের আনন্দে রসগোল্লা বিলি, ব্যান্ড বাজিয়ে ‘মা লক্ষ্মী’কে বরণ










