ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং যৌন নিগ্রহের মত বিস্ফোরক অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি মালদহের হবিবপুরের। এলাকার একটি প্রাথমিক স্কুলে ছাত্রীদের যৌন নিগ্রহের অভিযোগ উঠল ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি সামনে আসতেই শনিবার সকালে গোটা এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
ঘটনা জানাজানি হতেই স্কুলে ছুটে আসেন ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিক্ষুব্ধ জনতা প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হবিবপুর থানার পুলিশ। বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের হাত থেকে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। (Child Abuse)
এরপর খবর পেয়ে হবিবপুর থানায় পৌঁছন রাজ্যের আদিবাসী উন্নয়ন ও সেচ দফতরের প্রতিমন্ত্রী জোয়েল মুর্মু। তিনি ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এদিন মন্ত্রী বলেন, আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় যে বা যারা এরকম অন্যায় কাজ করেছেন তাদের উপযুক্ত শাস্তি হবে। রাজ্যের নতুন সরকার এখন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের উন্নয়নের দিকে যথেষ্ট নজর দিচ্ছেন। কাজেই ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না বলেই বিশ্বাস মন্ত্রীর।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ, পরীক্ষার আগের দিনই স্থগিত মহারাষ্ট্র TET ২০২৬
এদিকে, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক এবং স্থানীয় গ্রামবাসীরা একজোট হয়ে হবিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। (Child Abuse)
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্কুলের মতো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন গুরুতর অভিযোগ সামনে আসায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। তাঁদের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযুক্তদের দোষ প্রমাণ হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। আর ভবিষ্যতে কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। বর্তমানে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হবিবপুর থানার পুলিশ। (Child Abuse)









