---Advertisement---

‘সরকারের দমন-পীড়নে সভা আটকাবে না’, ২১ জুলাই নিয়ে পুলিশকে জবাব কুণালের

June 30, 2026 10:02 PM
Kunal Ghosh
---Advertisement---

ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ করতে চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত তৃণমূল। শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেয় কলকাতা পুলিশ। কোনওভাবেই ওই জায়গায় সভা করার অনুমতি মিলবে না, মঙ্গলবার সাফ জানিয়ে দেন কলকাতার পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দা। এরপরেই মুখ খুললেন বেলেঘাটা বিধানসভার বিধায়ক তথা তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।

কুণাল (Kunal Ghosh) বলেন, “বিরোধীদের কণ্ঠ রোধ করছে। কাকে অনুমতি দিল কী দিল না, সেটা ব্যাপার না। ঘটনাটা এখানে ঘটেছিল। একুশে জুলাই এর জন্য রাস্তার অর্ধেক দিতে পারে না? সিপিএমের হার্মাদের জন্য যাঁরা শহিদ হয়েছেন, সেই বার্ষিক সভা করতে আপনারা বাধা দিচ্ছেন। আমাদের নেতৃত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবটাই খতিয়ে দেখবেন।”

তিনি আরও বলেন, “শহিদ তর্পণ ২১ জুলাই হবে। বিকল্প হিসাবে এবার সভা কোথায় হবে, সেটা দলের সিদ্ধান্ত। দলনেত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন। সরকারের দমন-পীড়নে সভা আটকাবে না। এটা সিপিএমের সুবিধা হলো। তৃণমূল সরকারের আমলে যারা বিরোধী ছিলেন, যে যেখানে পারতেন সভা করতেন। কোনও বড় সভা তৃণমূল সরকার বাধা দেয়নি।”

উল্লেখ্য, রবিবার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের জন্য পৌঁছে যান কুণাল ঘোষরা। সাধারণত পুলিশের কাছে সভার অনুমতি পাওয়ার পরই সভাস্থল মাপজোকের কাজ শুরু হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আগেই দেখা গিয়েছিল কুণালরা সেখানে পৌঁছে যান। পুলিশের অনুমতি ছাড়া রাস্তা আটকে কেন এই মাপজোক? এই অভিযোগে সোমবার কুণাল ঘোষের উপর মামলা রুজু হয়। এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ বলেন, রবিবারের বৃষ্টি ভেজা দুপুর। তারপর ও কেউ এফআইআর করে? তা সেই প্রেমপত্র এলে জবাব দেব।”

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা জানিয়েছেন, “ভিক্টোরিয়া হাউসের চারপাশে সারাবছরই ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি থাকে। ফলে এই জায়গায় জমায়েত করার কোনও অনুমতি নেই। ফলে ২১ জুলাই (21 july shahid diwas) পালনের জন্য ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে কোনও অনুমতি দেওয়া হবে না। শহিদ দিবস পালনের জন্য বিকল্প জায়গা দেখলে সেই বিষয়টি দেখে তবেই অনুমতি দেওয়া হবে।”


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment