---Advertisement---

সৌদি আরবে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা, পরিবারের সামনেই মৃত্যু ১৪ জনের

June 28, 2026 7:54 PM
Saudi Arabia Helicopter Crash
---Advertisement---

সৌদি আরবে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা। হেলিকপ্টার ভেঙে মৃত্যু ১৪ জনের। রবিবার সকাল ৬টা নাগাদ সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের রাস তানুরায় ভেঙে পড়ে ‘অ্যারামকো’ সংস্থার একটি হেলিকপ্টার। ওই কপ্টারে ছিলেন ১৪ জন। ঘটনাস্থলেই প্রত্যেকের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্ত (Saudi Arabia Helicopter Crash)।

সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, “সৌদি অ্যারামকোর একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় পড়েছে এবং তাতে থাকা ১৪ জন যাত্রীর সকলের মৃত্যু হয়েছে।” নিহতদের পরিচয় বা দুর্ঘটনার নির্দিষ্ট কারণ এখনও প্রকাশ করা হয়নি। কী কারণে দুর্ঘটনা? খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

সৌদি প্রেস এজেন্সি এও জানিয়েছে, নিহতরা সম্ভবত ন্যান্সির বাসিন্দা। পেশায় স্বাস্থ্যকর্মী। তাঁরা প্রথমবার স্কাই-ডাইভিং করতে যাচ্ছিলেন। সেটা সরাসরি দেখার জন্য তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন (Saudi Arabia Helicopter Crash)।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ১৪ জনের দলটি স্কাই-ডাইভিং করার জন্য হেলিকপ্টারে উঠেছিল। শুরুর দিকে কপ্টারটির স্বাভাবিকভাবেই উড়ছিল। সেই সময়ে বিপদের কোনও ইঙ্গিত মেলেনি। কিছু পরে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। তবে কপ্টারটি লোকালয়ে আছড়ে পড়লেও সেখানে কেউ আহত হননি। পুরো ঘটনাটিই ঘটে নিহতদের পরিবারের সামনে। তাদের জন্য সংস্থার পক্ষ থেকে মানসিক সাহায্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: গড়ালো পরিবেশবান্ধব ট্রেনের চাকা, ১২০ কিমি গতিতে ছুটল ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন

উল্লেখ্য, প্রায় চার মাস বন্ধ থাকার পর গত শুক্রবারই রাস তানুরা উপসাগরীয় টার্মিনাল থেকে আবার অপরিশোধিত তেল লোডিং-এর কাজ শুরু করেছিল সৌদি অ্যারামকো। রাস তানুরায় মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম তেল শোধনাগারগুলির একটি রয়েছে যা সৌদি অ্যারামকো পরিচালনা করে। পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলা দীর্ঘ যুদ্ধের জেরে এই টার্মিনালে কাজ বন্ধ ছিল। ইরান-আমেরিকার অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরে ফের কাজ শুরু হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার পিছনে যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে। এই নিয়ে তদন্ত চলছে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment