---Advertisement---

চার দিন পরেও ধ্বংসস্তূপে প্রাণের হদিশ! কংক্রিটের নিচে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার বাবা ও ছেলে

June 29, 2026 4:55 PM
Venezuelas Earthquakes
---Advertisement---

প্রকৃতির ভয়ঙ্কর রোষ রেহাই দেয় না কাউকে। একবার দাপট দেখাতে শুরু করলে সব কেড়ে নেয়। আর সেই রুদ্র রূপের সাক্ষী থেকেছে ভেনেজুয়েলা। সে দেশে জোড়া ভূমিকম্পে তছনছ হয়ে গিয়েছে রাজধানী কারাকাস-সহ বিস্তীর্ণ অংশ। এখনও উদ্ধার কাজ চলছে। এই উদ্ধারকাজ চলাকালীনই হলো মিরাকেল। প্রায় ৪ দিন পর ধ্বংস্তূপের নীচ থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হলো বাবা ও ছেলেকে। এরপরই এখনও নতুন করে আশার আলো দেখছেন উদ্ধারকারীরা (Venezuelas Earthquakes)।

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশ করা খবরে, প্রায় ১২ ঘণ্টার চেষ্টায় ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ওই দুজনকে। ধ্বংসস্তূপের নিচে ক্যামেরা ঢুকিয়ে শনাক্ত করার কাজ চলে। উদ্ধারের সময় আহত ওই দুইজনের মুখে মাস্ক ছিল। উদ্ধারকারীদের তৈরি করা অস্থায়ী কাপড়ের স্ট্রেচারে করে তাঁদেরকে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেওয়া হয়। উদ্ধারের সময় ভেনেজুয়েলার লা গুয়ারিয়ার চারপাশে স্থানীয় মানুষের ভিড় জমে যায়। এই জায়গা থেকে আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করার আশায় এলাকায় আরও অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আসা হয়। যাতে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া যায় (Venezuelas Earthquakes)।

ফরাসি সিভিল সিকিউরিটি দলের এক সদস্য বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে চার দিন আটকে থাকার কারণে তাঁদের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। তাই উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে প্রাণের সন্ধান পাওয়া মাত্রই অক্সিজেন, জল ও তরল খাবার, ওষুধ পৌঁছতে শুরু করে। তিনি জানান, গোটা উদ্ধার প্রক্রিয়া খুব ধীরগতিতে পরিচালনা করা হয়েছে।

ভূমিকম্পের জেরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ক্যারিবিয়ান সমুদ্র তীরবর্তী বন্দর শহর লা গুয়াইরা এবং রাজধানী কারাকাসের উত্তরাংশে। এই বিপর্যয়ে অন্তত ১ হাজার ৪৫০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও হাজার হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় এখনও বন্ধ রাখা হয়েছে ভেনেজুয়েলার মূল বিমানবন্দরটিকে। ইতিমধ্যেই সে দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে। আতঙ্কে কারাকাস এবং শহরতলির বহু মানুষ খোলা আকাশে রাত কাটাচ্ছেন। ভেনেজ়ুয়েলার বহু জায়গাতেই বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। স্কুলগুলিতে পঠনপাঠন আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানেই অস্থায়ী আশ্রয়শিবির হিসাবে ব্যবহার করছে প্রশাসন।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment