অযোধ্যায় রাম মন্দিরের প্রণামীর টাকা চুরির মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার, উত্তরপ্রদেশ সরকার এবং ওই ঘটনার তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিটকে (SIT) নোটিস পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট (supreme court)। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের একটি বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। এই মামলার প্রাথমিক শুনানিতে সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব মহলকে তাদের বক্তব্য আদালতে জানাতে বলেছে। পাশাপাশি তদন্তের স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
এই মামলায় যুক্ত একাধিক ব্যক্তি ও সংগঠন সিবিআই (CBI)তদন্তের দাবি করেছেন। সুপ্রিম কোর্টে বলেছে, তদন্তের (supreme court) অগ্রগতি সম্পর্কীত যাবতীয় তথ্য লিখিতভাবে আদালতকে জানাতে হবে। গত মাসেই যোগী আদিত্যনাথ সরকার সিট (SIT) গঠন করে।
ইতিমধ্যেই মন্দিরের নিরাপত্তা ও দুর্নীতি রুখতে রাম মন্দির ট্রাস্ট বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একটি পরিচালন সমিতি গঠন করা হয়েছে। এই পরিচালন সমিতির মাথায় থাকবেন একজন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার। তিনি মন্দিরের দৈনন্দিন কাজ পরিচালনা করবেন। মন্দিরের সমস্ত কর্মচারী তাঁর অধীনে থাকবেন। জানা গিয়েছে, একজন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস বা আইপিএস অফিসারকে সিইও পদে নিয়োগ করা হতে পারে। এর পাশাপাশি প্রণামীর বাক্স এবং টাকা-পয়সা গোনা ও নজরদারিতে কঠোর ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাস্ট। তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই আটজনকে গ্রেফতার করেছে। তারা সকলেই মন্দিরের কর্মচারী।
অযোধ্যার রাম মন্দির থেকে ‘চাঁদা চুরি’র ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবিতে আম আদমি পার্টি রবিবার দেশব্যাপী একটি স্বাক্ষর অভিযান শুরু করেছে।
দিল্লির রোহিণীর সেক্টর ১০-এ অবস্থিত জাপানিজ পার্কে আয়োজিত ‘সুন্দরকাণ্ড’ পাঠ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। উপস্থিত জনসমাবেশকে তিনি ‘রামভক্তদের সমাবেশ’ বলে সম্বোধন করেন। তিনি সেই সমাবেশ থেকে বলেন, এই ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই চিঠিতে তিনি ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল ভক্তদের স্বাক্ষর গ্রহণের পশাপাশি তিনি নিজেও স্বাক্ষর করেছেন।











