আমজনতা তো ছাড়। এবার SIR-এর নোটিস পেলেন মন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। SIR-এর নোটিস পৌঁছে গেল বিদেশমন্ত্রী এস জয়ংশঙ্কর,বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবানী এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তর কাছে। এছাড়াও তালিকায় রয়েছেন আরও অনেক হেভিওয়েটরা। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, এই তালিকায় নাম রয়েছে নির্বাচন কমিশনার এস. এস. সান্ধু, প্রবীণ কংগ্রেস সাংসদ কপিল সিব্বল, কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি এবং বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরিও (advani-s-jaishankar)।
advani-s-jaishankar: কেন নোটিস পাঠাল কমিশন?
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র কারণে নোটিস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কেন? জানা গিয়েছে নির্বাচনী নথিতে নির্বাচন কমিশনার এস. এস. সান্ধুর নামের বানানের গরমিল রয়েছে। অন্যদিকে, SIR-এর নথিপত্রের সঙ্গে নাম ম্যাপ না থাকার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে সিব্বল এবং বিদেশসচিবকে। যে সব হেভিওয়েটদের নোটিস পাঠানো হয়েছে তাঁদের বেশিরভাগেরই নথিপত্রে গণ্ডোগোল থাকার কারণে নোটিস পাঠানো হয়েছে (advani-s-jaishankar)।
প্রসঙ্গত, এই তালিকায় আরও রয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া ও তাঁর পরিবার, সিবিআই অধিকর্তা প্রবীণ সুদ ও তাঁর পরিবার, প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী ও তাঁর স্ত্রী এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা দেশাই ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
এছাড়াও চাকরিরত ও অবসরপ্রাপ্ত বেশ কয়েকজন আমলাকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে। কারণ, ভোটার তালিকা সংশোধনের আগের পর্যায়ে প্রস্তুতকৃত তালিকার সঙ্গে তাঁদের বর্তমান নথিপত্রের কোনও মিল পাওয়া যায়নি। তাঁদের নাম ও পারিবারিক তথ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। দিল্লির মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক স্পষ্ট জানিয়েছেন, নোটিস পাওয়ার অর্থই এই নয় যে ভোটার তালিকা থেকে সংশ্লিষ্ট ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হবে।
তবে কমিশন জানিয়েছে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর নাম বাদ দেওয়া হয়নি। প্রথমে তাঁকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে বিএলও বাড়ি গিয়ে ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে তাঁর নাম যাচাই করেছেন।
চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার (CEO) জানিয়েছেন, “ECINET-এ তথ্য সংশোধনের জন্য উল্লিখিত ক্যাটাগরিগুলিতে সিস্টেম-জেনারেটেড নোটিস পাঠানো হচ্ছে। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান এবং যথাযথ, কারণ-সহ ও আপিলযোগ্য আদেশ জারি করা ছাড়া কোনও নাম বাদ দেওয়া যাবে না।”











