হার স্বীকার করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। জনগণের রায় মেনে নিলেন তিনি। সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করে তিনি জানিয়েছেন, বিহারের বাকিপুর এবং মধ্যপ্রদেশের দাতিয়া এই দুইটি আসনে বিপর্যয়ের কারণ গভীরভাবে খতিয়ে দেখবেন।
Niti Nabin: উপনির্বাচনের ফলাফল ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
বাঁকিপুর (বিহার): এই আসনটি ১৯৯৫ সাল থেকে বিজেপির একটি দুর্ভেদ্য দুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল। নীতিন নবীন নিজে এখান থেকে টানা পাঁচবার বিধায়ক নির্বাচিত হন। তিনি রাজ্যসভার সাংসদ ও পরবর্তীকালে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি মনোনীত হওয়ার পর বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন। ফলে এই আসনটি তখন থেকেই শূন্য ছিল। তাঁর ফেলে আসা আসনে উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় লাভ করেন জন সুরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর। তিনি মোট ৬৪,১৫১টি ভোট পেয়ে জয়যুক্ত হয়েছেন। বিজেপির প্রার্থী নীরজ কুমার সিনহাকে ১৯,৩২৪ ভোটে তিনি হারিয়েছেন।
দাতিয়া (মধ্যপ্রদেশ): মধ্যপ্রদেশের এই আসনেও বিজেপিকে পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কংগ্রেস প্রার্থী ঘনশ্যাম সিং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির আশুতোষ তিওয়ারিকে ৬,০৫৬ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে আসনটি ধরে রেখেছেন।
মঞ্জলপুর (গুজরাত): এই উপনির্বাচনে একমাত্র বিজেপির মুখ রক্ষা করেছে গুজরাত। গুজরাতের বরোদা জেলার মঞ্জলপুর আসনে বিজেপির সতীশ গোবিন্দভাই প্যাটেল তাঁর নিকটতম কংগ্রেস প্রতিদ্বন্দ্বীকে ৩০,৬৩০ ভোটে হারিয়ে দলের মুখ রক্ষা করেছেন।
হার স্বীকার নবীনের
সোমবার গভীর রাতে নিজের ‘এক্স’হ্যান্ডলে একটি পোস্টে নীতিন নবীন লেখেন, “আজকের তিনটি বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রাপ্ত রায় আমরা মেনে নিচ্ছি।” তিনি আরও লেখেন, “আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এই দুটি এলাকার নির্বাচনী ফলাফলের পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করব এবং নতুন উদ্যম ও সংকল্প নিয়ে জনগণের মাঝে গিয়ে তাদের আস্থা আরও সুদৃঢ় করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করব।”
বিজেপির ওপর আস্থা রাখার জন্য গুজরাতের মাঞ্জালপুর বিধানসভা কেন্দ্রের জনগণের প্রতি “আন্তরিক কৃতজ্ঞতা” প্রকাশ করেছেন তিনি। তিনি বলেন, “এই জয়ের জন্য আমরা বিজেপির সকল কর্মী ও সমর্থকদের আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই।”










