জ্বর ও সর্দি-কাশির সমস্যা নিয়ে ওষুধের দোকানে ওষুধ কিনতে গিয়েছিলেন এক মহিলা। কিন্তু দোকান থেকেই একটি ইঞ্জেকশন নেওয়ার পরই আচমকা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হলেও পথেই মৃত্যু হয় ৫৫ বছরের ওই মহিলার। পরিবারের তরফ থেকে অভিযোগ তোলা হয় ওই ইঞ্জেকশনটি ‘ভুল’ ছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ওডিশার রায়গড়ায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত মহিলার নাম বৈদেহী কুমার। তিনি রায়গড়া জেলার চন্দিলি থানার অন্তর্গত গেটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার জে কে পুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে এ কে ভদ্র নামে এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। (Wrong Injection)
পরিবারের দাবি, গত কয়েক দিন ধরে জ্বর ও সর্দি-কাশিতে ভুগছিলেন বৈদেহী। ওষুধ খাওয়ার পরেও তাঁর শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি হচ্ছিল না। এরপর বৃহস্পতিবার তিনি জে কে পুরের একটি ওষুধের দোকানে যান। সেখানে দোকানের কর্মী হিসেবে পরিচিত এ কে ভদ্র তাঁকে একটি ইঞ্জেকশন দেন বলে অভিযোগ।
ইঞ্জেকশন নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বৈদেহীর শরীরে গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। দ্রুত তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। পরিস্থিতি দেখে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে রায়গড়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য রওনা দেন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই পথের মধ্যে তাঁর মৃত্যু হয়।
ভেজা চুলে ঘুমোলেই সর্দি-জ্বর হয়, বিপদের লক্ষ্মণ? কী বলছেন চিকিৎসকেরা?
এরপরই পরিবারের তরফে চন্দিলি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে দাবি করা হয়, ওষুধের দোকানে দেওয়া ওই ইঞ্জেকশনের কারণেই বৈদেহীর মৃত্যু হয়েছে।
অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ এ কে ভদ্রকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। ঘটনার আসল কারণ কী, ইঞ্জেকশনটি কী ছিল এবং সেটি দেওয়ার পরেই কেন মহিলার শারীরিক অবস্থার এত দ্রুত অবনতি হলো, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। (Wrong Injection)
চন্দিলি থানার আইআইসি উত্তম সাহু জানিয়েছেন, মৃত মহিলার পরিবারের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। তবে এখনই ইঞ্জেকশনের কারণেই মৃত্যু হয়েছে কি না তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং ফরেন্সিক পরীক্ষার তথ্য হাতে আসার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।












1 thought on “জ্বরের ওষুধ নিতে গিয়ে বিপত্তি, ‘ভুল’ ইঞ্জেকশনে মৃত্যু মহিলার”