বছরের পর বছর চুপ করে থাকার পর যৌন হেনস্থার বিরুদ্ধে আরও একবার সরব অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী (Ritabhari Chakraborty)। বাংলা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির #MeToo আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালে দুই ‘প্রভাবশালী’ প্রযোজকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে আলোড়ন তৈরি করেছিলেন তিনি। এবার সেই অভিযোগ, তাঁর নতুন আবেদন এবং কেন এতদিন পরে মুখ খুললেন—সবটাই জানালেন ঋতাভরী।
Ritabhari Chakraborty: ‘এখন কেউ হেনস্থা করলে রেহাই পাবে না’
NDTV-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে ঋতাভরী জানান, বর্তমানে তিনি পূর্ব ভারতের সবচেয়ে বেশি ফলো করা অভিনেত্রীদের একজন। তাই এখন কেউ তাঁকে হেনস্থা বা যৌন নিগ্রহের চেষ্টা করলে, তিনি বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতে পারবেন। তাঁর কথায়, “এখন কেউ আমাকে হেনস্থা করলে, তাকে রাস্তায় নগ্ন হয়ে দাঁড়াতে হবে।”
তখন কেন চুপ ছিলেন?
ঋতাভরীর দাবি, ইন্ডাস্ট্রিতে কেরিয়ারের শুরুতে তিনি ছিলেন ‘ভীত’ এক তরুণী। মুখ খুললে কাজ হারানোর আশঙ্কা ছিল। (Ritabhari Chakraborty) তাঁর ভয় ছিল, প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে উল্টে তাঁকেই প্রতিহিংসাপরায়ণ বলা হবে। তবে সেই সময়ের আপত্তিকর মেসেজগুলি তিনি এখনও সেভ করে রেখেছেন।
নতুন সরকারের কাছে ফের আবেদন
২০২৪ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থার বিরুদ্ধে সরব হন (Ritabhari Chakraborty) ঋতাভরী। পরে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে হেমা কমিটির ধাঁচে তদন্তের দাবি জানান। পাঁচ সদস্যের কমিটি, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্ব এবং পুলিশ, মনোবিদ ও আইনজীবীদের অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনার কথাও সামনে আসে।
অভিনেত্রী জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের কাছেও তিনি আরও আনুষ্ঠানিকভাবে একই ধরনের আবেদন করেছেন। এখনও মুখোমুখি বৈঠক হয়নি।
Ritabhari Chakraborty: অভিনয় থেকে প্রযোজনা
‘ওগো বধূ সুন্দরী’ (২০০৯–১০) ধারাবাহিকের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পান ঋতাভরী। পরে ‘বহুরূপী’, ‘ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মটি’, ‘ফাটাফাটি’-র মতো ছবিতে অভিনয় করেন। ‘Naked’ শর্টফিল্মে লেখক ও প্রযোজকের ভূমিকাতেও ছিলেন তিনি। অনুষ্কা শর্মার ‘পরী’ (২০১৭)-তেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।
সুচিত্রা আপত্তি না জানালে ‘সপ্তপদী’র শেষটা হতো ভয়ঙ্কর, জানেন সেই গল্প?












