রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

একদিনেই ৮,৩৪৪টি ঝুলে থাকা মামলা নিষ্পত্তি, বহরমপুরে জাতীয় লোক আদালতে বড় সাফল্য

Published on: September 13, 2026
National Lok Adalat
---Advertisement---

দীর্ঘদিন ধরে আদালতে ঝুলেছিল একাধিক মামলা। ব্যাঙ্ক ঋণ থেকে শুরু করে বিদ্যুতের বিল-সহ একাধিক মামলার মীমাংসা হলো। শনিবার মুর্শিদাবাদ জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বহরমপুরে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় লোক আদালত। এই আদালতেই প্রায় ৮,৩৪৪টি ঝুলে থাকা মামলার নিষ্পত্তি করা হলো (National Lok Adalat)।

National Lok Adalat: কতগুলো মামলার নিষ্পত্তি?

জাতীয় লোক আদালতে উপস্থিত ছিলেন, মুর্শিদাবাদ জেলা জজ পার্থপ্রতিম চক্রবর্তী, জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব প্রণয় সুব্বা, অতিরিক্ত জেলা জজ ও বিচার বিভাগের অন্যান্য আধিকারিক, আইনজীবী ও প্যারালিগাল ভলান্টিয়াররা। এদিন ১৩,৪৪১টি মামলার মধ্যে ৮,৩৪৪টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়। বিমা, ঋণ, কৃষিঋণ, বিদ্যুৎ বিল-সহ একাধিক মামলার মীমাংসা হয়। মামলা নিষ্পত্তি হওয়ায় স্বস্তি পান উপকৃত মানুষজন (National Lok Adalat)।

এবিষয়ে জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব প্রণয় সুব্বা বলেন, “এই লোক আদালতের মাধ্যমে আমরা দুপক্ষকে বসিয়ে অনেক মামলার নিষ্পত্তি করেছি। ব্যাঙ্কের লোনের ক্ষেত্রে ব্যঙ্কের সঙ্গে বসে আমরা নিষ্পত্তি করছি। আজকে স্পেশাল ডে। আমরা একটা স্টল করেছি। ৮টা এনজিও এখানে স্টল করেছে। এর মধ্যে মেডিক্যাল ক্যাম্পও রয়েছে। নিজেদের হাতের কাজ তুলে ধরছেন তাঁরা।”

জাতীয় লোক আদালত উপলক্ষ্যে একাধিক সচেতনতা স্টলও বসানো হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতনতার বার্তা দেন। কম সময়ে ও কম খরচে সাধারণ মানুষের কাছে ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ।

জাতীয় লোক আদালতের সুবিধা

১২ সেপ্টেম্বর দেশ জুড়ে আয়োজিত হয় লোক আদালত। এই আদালতের মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের সম্মতি থাকায় এই রায়ের বিরুদ্ধে অন্য কোনও আদালতে আপিল করা যায় না। ফলে মামলার নিষ্পত্তি ঘটে। উপরন্তু, আদালতে জমা দেওয়া কোর্ট ফি-ও লিটিগ্যান্টদের ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়। এতে আইনি খরচ অনেকটাই কম হয়।


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now