সোমবার শাহী মসজিদের একটি অংশ ভাঙা ঘিরে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনে। রাস্তা সম্প্রসারণের কারণে মসজিদের একটি অংশ ভাঙার প্রস্তাব ঘিরে সোমবার বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এবার সেই ঘটনায় উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মসজিদ ভাঙার কিছু AI ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। তারপর থেকেই আমজনতার মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এই ঘটনায় তদন্ত চালিয়ে পুলিশ ৫ জন কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের চিহ্নিত করেছে (Mosque demolition Ujjain)।
Mosque demolition Ujjain: ড্রোনের মাধ্যমে চলছে নজরদারি
‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী পুলিশ জানিয়েছে (Mosque demolition Ujjain), কিছু ভিডিয়োতে গোটা মসজিদ ভেঙে ফেলার ছবি দেখানো হয়েছে। যা সম্পূর্ণ ভুয়ো, AI দিয়ে তৈরি। উজ্জয়িনের এসপি প্রদীপ শর্মা জানিয়েছেন, এ ধরনের পোস্ট ছড়িয়ে পড়ার কারণেই মসজিদের বাইরে বিপুল জনসমাগম হয়েছিল। তিনি বলেন, “এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে এবং ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। এসব ক্যামেরার সাহায্যে পাথর ছোড়ার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ১৫ জনকে আটক এবং আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন অ্যাকাউন্টগুলির ওপর নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন। ভিডিয়োগুলির উৎস কোথা থেকে, তা জানতে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, সিমহস্থ মেলাকে সামনে রেখে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ চলছে। বিপুল সংখ্যক তীর্থযাত্রীর সমাগমের কথা মাথায় রেখে এই কাজ করছে প্রশাসন। ফলে তীর্থযাত্রীদের সমাগমের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন রাস্তা প্রশস্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় পড়ছে শাহী মসজিদের একটি অংশ। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন আমজনতা। পুলিশকে লক্ষ্য করে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ইট-পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে এবং লাঠিচার্জ করে। পরিস্থিতি পুলিশের হাতের বাইরে চলে যেতেই ঘটনাস্থলে RAF নামানো হয়।









