বাইরে থেকে দেখে কখনই বোঝা সম্ভব নয়। দেখে মনে হবে সাধারণ একটি গাড়ি। আর তার সিটের নিচেই লুকিয়ে রাখা হতো গরু। পুলিশের চোখে ধুলে দিয়ে পাচারের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হতো এইগুলিকে। ইনোভা কিংবা জাইলোর পিছনের সিট খুলে তৈরি করা হতো গোপন জায়গা। সোনারপুরে গরু পাচারের তদন্তে নেমে এমনই বিস্ফোরক তথ্য পেল পুলিশ। এই চক্রের অন্যতম অভিযুক্ত আজগার ফকির নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, এই আজগারই দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সক্রিয় গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত (sonarpur cow trafficking)।
sonarpur cow trafficking: গরুপাচারের জাল কোথায় কোথায় ছড়িয়ে?
পুলিশ সূত্রে খবর, গোটা জেলা জুড়ে ছড়িয়ে ছটিয়ে রয়েছে এই চক্রের সদস্যরা। সুযোগ বুঝে প্রথমে গরু চুরি করা হতো। এরপর সেই গরু সরিয়ে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হত সাধারণ যাত্রিবাহী গাড়ি। এই গাড়ির সিট খুলে সেখানে গোপন জায়গা তৈরি করা হতো। পাচারের সময় সেই জায়গায় গরুগুলিকে রাখা হতো। গাড়িটি উপর থেকে দেখে সাধারণ গাড়ি বলেই মনে হতো। ফলে বাইরে থেকে দেখে গাড়ির ভিতরে কী রয়েছে, তা সহজে বোঝার উপায় থাকত না (sonarpur cow trafficking)।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, আগে বাংলাদেশেও গরু পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিল আজগার। পরে বাংলাদেশ সীমান্ত পার করে পাচার করা কঠিন হয়ে পড়লে জেলার মধ্যেই নিজের অপারেশন চালাত আজগার। পুলিশের দাবি, বিভিন্ন জায়গা থেকে গরু এনে তা কেটে মাংস বিক্রি করা হতো।
সম্প্রতি সোনারপুর ইসকনের গোশালা থেকে গরু চুরির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে একাধিক সূত্র খতিয়ে দেখতে শুরু করে সোনারপুর থানার পুলিশ। তদন্তে আজগার ফকিরের নাম উঠে আসার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে আজগারকে গ্রেফতার করেই তদন্ত শেষ করতে চাইছে না পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের বাকি সদস্যদের খোঁজ চলছে।










1 thought on “গাড়ির সিটের তলায় লুকিয়ে পাচার হতো গরু, সোনারপুরে গ্রেফতার কিংপিন”
Comments are closed.