নির্বাচন কমিশনের অন্দরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে ওঠা অভিযোগে বড় পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টের।(Supreme Court Notice) প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করার আর্জিতে আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল না শীর্ষ আদালত। বরং নির্বাচন কমিশন, জ্ঞানেশ কুমার এবং দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশির বক্তব্য জানতে নোটিশ জারি করেছে আদালত।
১৪ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। (Supreme Court Notice) অভিযোগ, বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন বা SIR সংক্রান্ত অন্তত ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দুই নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি বা সুপারিশ ছাড়াই নেওয়া হয়েছিল। ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের অগস্টের মধ্যে এই আপত্তিগুলি নথিভুক্ত হয়েছিল।
সম্মিলিত সিদ্ধান্তের প্রশ্ন
আবেদনকারীদের দাবি, সংবিধানের ৩২৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি বহুসদস্যের সাংবিধানিক সংস্থা। তাই কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমষ্টিগত প্রক্রিয়া বজায় রাখা জরুরি। ২০২৩ সালের আইনের ১৮ নম্বর ধারাতেও কমিশনের কাজকর্ম যথাসম্ভব সর্বসম্মতভাবে করার কথা বলা হয়েছে; মতপার্থক্য হলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মত কার্যকর হওয়ার বিধান রয়েছে। (Supreme Court Notice)
তিন মহিলা সাংবাদিককে হেনস্থার অভিযোগ, ACP-র বিরুদ্ধে FIR চেয়ে থানার সামনে বিক্ষোভ CJP-র
ভোটার সফটওয়ার নিয়েও আপত্তি
সান্ধু ও যোশি ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়ারের নির্ভরযোগ্যতা নিয়েও ক্যাবিনেট সেক্রেটারি টি ভি সোমনাথনকে চিঠি দিয়েছিলেন। তবে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, ওই চিঠি নীতিগত সিদ্ধান্ত বা আইটি বিভাগের কাজকর্ম নিয়ে নয়, ডেপুটেশনে থাকা এক আধিকারিককে ঘিরে ছিল।
এখন কী হবে?
(Supreme Court Notice) আদালত স্পষ্ট করেছে, একতরফাভাবে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেওয়া যাবে না। তাই আপাতত জ্ঞানেশ কুমারকে বরখাস্ত করা হয়নি। নোটিশের জবাব পাওয়ার পর মামলায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।












2 thoughts on “জ্ঞানেশ কুমারকে এখনই সাসপেন্ড নয়, নির্বাচন কমিশনকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের”
Comments are closed.