চুল কাটার জন্য অপেক্ষা না করে খেলছিল বেশ কয়েকজন খুদে পড়ুয়া। (Half Bald Punishment) আর সেই ‘অপরাধে’ ৮২ জন পড়ুয়ার মাথার চুলের একাংশ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুর জেলার এই ঘটনায় পড়ুয়াদের অর্ধেক ন্যাড়া অবস্থার ছবি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ ছড়িয়েছে অভিভাবকদের মধ্যে।
খেলছিল পড়ুয়ারা, নির্দেশ সুপারিনটেনডেন্টের
(Half Bald Punishment) ঘটনাটি শনিবার চিমুর তালুকের জাম্ভুলঘাটের একটি সরকারি মাধ্যমিক আশ্রম স্কুলে। ওই দিন পড়ুয়াদের চুল কাটার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। অভিযোগ, চুল কাটার জন্য অপেক্ষা করার সময় কয়েকজন পড়ুয়া খেলছিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্কুলের সুপারিনটেনডেন্ট প্রশান্ত মেশরাম নাপিতকে কয়েকজনের চুলের একাংশ কেটে দেওয়ার নির্দেশ দেন। ট্রিমার দিয়ে চুল কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
ছবি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ
এরপর পড়ুয়াদের অসমান, অর্ধেক ন্যাড়া চুলের ছবি সামনে আসে। বিষয়টি জানাজানি হতেই অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়। পরে উচ্চতর কর্তৃপক্ষের তরফে স্কুলে যোগাযোগ করে পড়ুয়াদের চুল একরকম করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। (Half Bald Punishment)
রাত ১১টা থেকে ভোর ৪টে পর্যন্ত ফের চুল কাটা
(Half Bald Punishment) অভিযোগ, এরপর শনিবার গভীর রাতে ফের পড়ুয়াদের চুল কাটার কাজ শুরু হয়। রাত প্রায় ১১টা নাগাদ শুরু হয়ে সেই প্রক্রিয়া রবিবার ভোর ৪টে পর্যন্ত চলে। সেই সময় কয়েকজন পড়ুয়া ঘুমোতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে।
সুপারিনটেনডেন্টকে শোকজ
সুপারিনটেনডেন্ট প্রশান্ত মেশরাম অবশ্য সিদ্ধান্তের সাফাই দিয়ে জানিয়েছেন, পড়ুয়াদের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল এবং তাঁর কোনও খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না। বৃষ্টির কারণে দীর্ঘদিন অনেকের নিয়মিত চুল কাটা হয়নি বলেও দাবি তাঁর। তবে স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রশান্ত গিরি ইতিমধ্যেই সুপারিনটেনডেন্টকে শোকজ করেছেন। (Half Bald Punishment)
অভিভাবকদের দাবি, শুধু শোকজে বিষয়টি থামানো নয়, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে হবে।
জ্ঞানেশ কুমারকে এখনই সাসপেন্ড নয়, নির্বাচন কমিশনকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের











