আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তোলাবাজি, চাঁদার জুলুম রুখতে কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরও একই ঘটনা ঘটছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের খাসমল্লিক সংলগ্ন এলাকার একটি গ্যারেজে ১৫ হাজার টাকা চাঁদা চেয়ে চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক পুজো উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে। শুধুতাই নয়, তারপরেও চাঁদার দাবিতে চলে বেধড়ক মারধর। এমনই অভিযোগ গ্যারেজ ব্যবসায়ীর। গোটা ঘটনাই সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে (Baruipur)।
Baruipur: কী ঘটেছিল?
শুক্রবার দুপুর ২ নাগাদ ওই ব্যবসায়ীর গ্যারেজে দলবল গিয়ে ওই গ্যারেজের দুই কর্মীকে মারধর করে বলে অভিযোগ। ওই ব্যবসায়ীর অভিযোগ,তিনি এক হাজার টাকা চাঁদা দিতে রাজি হলেও, তাঁকে ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। সেই টাকা না দেওয়ায় দলবল নিয়ে এসে গ্যারেজের দুই কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তিনি বলেন, “ওরা চাঁদা নিতে এলে আমি ওদের ১০০০ টাকা চাঁদা দিই। ওরা চাঁদা নিতে চায়নি। তারপর ওরা আমার কাছ থেকে চাঁদা বাবদ ১৫ হাজার টাকা করে চায়। আমি সেই চাঁদা দিতে না পারায় গ্যারেজে দলবল নিয়ে এসে ২ কর্মীকে মারধর করে। আমরা আতঙ্কে রয়েছি।”
অভিযোগ অস্বীকার পুজো উদ্যোক্তাদের
যদিও পুজো উদ্যোক্তারা এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁরা বলেন, “প্রথমবার চাঁদা কাটতে গিয়েছিলাম তখন ওই ব্যবসায়ী বলেছিলেন যা খুশি চাঁদা কাটুন। তারপর আমরা যখন দ্বিতীয়বার সেই চাঁদা কাটতে যাই। তখন তিনি ওই টাকা দিতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমি চাঁদা দেবো না। অন্য এলাকায় এসে চাঁদা তুলছো।”
মারধরে আহত দুই শ্রমিক বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে রয়েছেন গ্যারেজের মালিক ও কর্মীরা। দুর্গাপুজোর মরশুমে এভাবে চাঁদার চাপ ও মারধরের অভিযোগ ঘিরে উঠছে প্রশ্ন—ভয়মুক্ত পরিবেশে ব্যবসা করতে পারবেন তো ব্যবসায়ীরা? অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ।











