বাতাসে বারুদের গন্ধ, চারিদিকে যুদ্ধের আবহ। যার সরাসরি প্রভাব পড়ল আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে। নিরাপত্তার কারণে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রুটে ফ্লাইট বাতিল ও পথ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের দুই প্রধান এয়ারলাইন্স—ইন্ডিগো ও এয়ার ইন্ডিয়া (Iran Tensions)।
ইন্ডিগো জানিয়েছে, ২৬, ২৭ ও ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত তিবলিসি, আলমাটি, তাশখন্দ ও বাকু রুটের সমস্ত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। সংস্থার দাবি, বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তা কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়।
অন্যদিকে, ইউরোপগামী ফ্লাইটের ক্ষেত্রে এয়ার ইন্ডিয়া ইতিমধ্যেই ইরানের আকাশসীমা এড়িয়ে চলা শুরু করেছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন অ্যাভিয়েশন সেফটি এজেন্সি (EASA) ১৬ জানুয়ারি যে সতর্কতা জারি করেছিল, তাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে—ইরানের আকাশসীমায় ভুলবশত সামরিক হামলার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। বিশেষ করে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের কারণে ইরানি এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে। এটাই চিন্তার, এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থা ভুল করে কোনও যাত্রিবাহী বিমানে হামলা চালালে তাতে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হবে। তাই আগে থেকেই সেফ থাকছে এয়ারলাইন্সগুলো।
Travel Advisory
— IndiGo (@IndiGo6E) January 25, 2026
We remain vigilant to developments in the region around Iran and are proactively reviewing flight operations, with safety being our highest priority.
In view of the prevailing situation and after careful assessment, IndiGo flights scheduled to operate on 26, 27…
এই মুহূর্তে বহু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ইরানের বদলে ইরাকের আকাশপথ ব্যবহার করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের রুট পরিবর্তনের ফলে ফ্লাইটের সময় বাড়ছে, জ্বালানি খরচ বাড়ছে এবং টিকিটের দামেও প্রভাব পড়তে পারে।
এয়ারলাইন সূত্রের খবর, পরিস্থিতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় বদলাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই মাঝ আকাশে থাকাকালীন রুট পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে পাইলটদের। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব বিমান পরিবহণ ব্যবস্থায় আরও বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দিতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের আগাম ফ্লাইট স্ট্যাটাস যাচাই করা এবং বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞরা।












