চেন্নাইয়িন এফসির বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জিতলেও রেফারির ভূমিকায় খুশি নন মোহনবাগান কর্তারা। ম্যাচের পর মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত ও সচিব সৃঞ্জয় বসু সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ উগড়ে দেন। সরাসরি রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন।
ম্যাচের পর যুবভারতী থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন দেবাশিস দত্ত ও সৃঞ্জয় বসু। তাঁরা মজা করেই বলেন, ‘ম্যান অফ দ্য ম্যাচ রেফারি। লাইন্সম্যানের সামনে ফাউল হলো, কিন্তু রেফারি কার্ড দেখাল না। ওদের একটাও হলুদ কার্ড নেই আর আমাদের চারটে হলুদ কার্ড।’ তবে ২ গোলে দল জিতলেও সৃঞ্জয় বসু মনে করেন দল আরও বেশি গোলে জিততে পারত। দেবাশিস দত্ত এই বিষয়ে নাম না করে বিপক্ষ ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দেন। বলেন, ‘লিগ কচ্ছপের গতিতে এগনোই ভালো। অনেকে খরগোশের গতিতে এগিয়ে লাফালাফি করছে।’ (Mohun Bagan SG)
ম্যাচের ছবি
চেন্নাইয়িন এফসির বিরুদ্ধে মোহনবাগান ২-০ গোলে জেতে। বাগানের হয়ে একটি করে গোল করলেন জেমি ম্যাকলারেন এবং দিমিত্রি পেত্রাতোস।
ম্যাচের প্রথম দিকে চেন্নাইয়িন এফসি-র হয়ে ইয়ারওয়ার এবং হামতে দু’একটা গোলমুখী শট মারলেও, সেগুলো নিতান্তই নির্বিষ ছিল। কিন্তু, মেরিনার্সরা এই ম্যাচের লাগাম নিজেদের হাতে তুলে নেওয়ার পর তারা বিপক্ষ শিবিরে একের পর এক আক্রমণ শানাতে শুরু করে। বলা ভালো, চেন্নাইন ফুটবলাররা নিজেদের অর্ধ ছেড়ে কার্যত বেরোতেই পারল না। (Mohun Bagan SG)
তবে চেন্নাইয়িন সমর্থকদের কাছে সবথেকে বড় দুঃসংবাদ হলো দলের গোলকিপার নওয়াজের চোট। কনকাশনের কারণে তাঁকে মাঠ থেকেই তুলে নেওয়া হয়।
প্রথম ৪৫ মিনিটে দাপুটে পারফরম্য়ান্সের পুরস্কার একেবারে শেষবেলায় পেল মোহনবাগান। ম্যাকলারেনের সামনে ওয়ান-অন-ওয়ান পজ়িশনে পড়ে গিয়েছিলেন শমীক। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাগানের অজ়ি ফরোয়ার্ড নিখুঁত একটি গোল করলেন। সেইসঙ্গে গঙ্গাপাড়ের ফুটবল ক্লাবটি ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল। (Mohun Bagan SG)
দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল করলেন পেত্রাতোস। তিনি মোহনবাগানের হয়ে গোলের ব্যবধান বাড়ান। যদিও বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও, শেষপর্যন্ত তা কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। (Mohun Bagan SG)











