ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করার দাবি সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ জানিয়েছেন, প্রতি মাসে মহিলাদের অতিরিক্ত ৩/৪ টে ছুটি আইন করে বাধ্যতামূলক করা হলে, অনেক সংস্থাই ভবিষ্যতে মহিলা কর্মী নিয়োগে অনীহা দেখাতে পারে। (Menstrual leave)

সম্প্রতি শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী নামে এক আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন। তাতে বলা হয়, কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রী এবং কর্মরত মহিলাদের জন্য ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিক শীর্ষ আদালত। আবেদনে বিভিন্ন রাজ্যের উদাহরণও তুলে ধরা হয়। সেই মামলায় এদিন মামলা খারিজ করে দেওয়া হয়। কী কারণে এই দাবিকে মান্যতা দেওয়া যাবে না, সে সম্পর্কে যুক্তিও দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। (Menstrual leave)
শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, ঋতুকালীন সমস্যা নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। তবে বিষয়টিকে আইনি বাধ্যবাধকতায় পরিণত করলে উল্টো প্রভাব পড়তে পারে। সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য, নিয়োগকারীদের একাংশ তখন মনে করতে পারেন যে মহিলা কর্মীদের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা দিতে হবে। ফলত নিয়োগের ক্ষেত্রেই তাদের এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে। প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, “এই ছুটি দিলে মহিলাদের মনে ভয় ঢুকে যাবে। তাঁদের মনে হবে পুরুষদের তুলনায় তাঁরা পিছিয়ে। ঋতুকালীন সমস্যা নিয়ে সচেতনতা গড়ে তোলা ঠিক আছে। কিন্তু যে মুহূর্তে ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা হবে, একের পর এক সংস্থা মহিলা কর্মীদের চাকরি দেওয়া বন্ধ করে দেবে।











1 thought on “Menstrual leave: মহিলাদের ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক হতে পারে না, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট”