পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতে বিদেশ থেকে আসা নেতিবাচক খবরের প্রভাব ভারতীয় শেয়ার বাজারে। সোমবার বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যাপক ধস।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সোমবার বাজার ইতিবাচকভাবে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম ছিল, বরং ‘লোয়ার গ্যাপ’ অর্থাৎ আগের দিনের ক্লোজিংয়ের তুলনায় নিচে নেমে বাজার খোলার সম্ভাবনাই বেশি। সেই আশঙ্কাকে সত্যি প্রমাণ করেই এক ধাক্কায় অনেকটাই শেয়ার নামল আজ। অপরিশোধিত তেলের দামে বৃদ্ধি, তার সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধির প্রভাব পড়েঠে ভারতের শেয়ার বাজারে। Stock Market Down
আজ, ২৩ মার্চ সকাল ১০:৪৫ মিনিটে সেনসেক্স ১,৭৮৫.১২ পয়েন্ট বা ২.৪ শতাংশ কমে ৭২,৭৪৭.৮৪ এ নেমে আসে। অন্যদিকে নিফটি ৫৬৭.১৫ পয়েন্ট বা ২.৪৫ শতাংশ কমে নেমে আসে ২২,৫৪৭.৩৫-এ। যা গত ৯ এপ্রিল এর পর থেকে এর সবচেয়ে বেশি পতন। সপ্তাহ জুড়ে বাজারের সার্বিক গতিবিধি খানিক দুর্বলই ছিল। ফলে নতুন সপ্তাহের শুরুতেই আশানুরুপ কোনও উত্থান বিশেষজ্ঞরা আশা করেননি। তবে এমন বিরাট পরিমাণে ধসের আশঙ্কাও ছিল না তাদের মনে।
Ccfc Cricket Match: ভেস পেজের স্মরণে ক্রিকেট ম্যাচ, সিসিএফসি মাঠে চাঁদের হাট
একদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এশিয়ার বাজারগুলি ধুঁকছে। এর মধ্যে জাপানের নিক্কেই সূচক প্রায় ৫ শতাংশ পড়ে যায়, টপিক্স সূচক কমে ৪.৪ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি প্রায় ৬ শতাংশ পর্যন্ত নীচে নামে । অস্ট্রেলিয়া ও হংকং বাজারও ২ শতাংশের বেশি শেয়ার পড়ে যায়। Stock Market Down
বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে জ্বালানি থেকে তেলের দাম সবই বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধে তেলের দাম বাড়ায় ভারতের মতো আমদানি নির্ভর দেশের অর্থনীতিতে চাপ বাড়ে, ফলে বাজারে বিক্রির চাপও বাড়ে। একই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের টানা বিক্রিও বাজারকে দুর্বল করতে থাকে। Stock Market Down
সব মিলিয়ে আজকের এই শেয়ার পতন দেখে অনেকেরই মাথায় হাত, কেউ কেউ আবার একে ‘ব্ল্যাক মান ডে’ বলেও দাগিয়ে দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে, আন্তর্জাতিক বাজারের দুর্বলতা, তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের ওপর চাপ এই তিন কারণেই সপ্তাহের প্রথম দিনের শুরুতেই ভারতীয় শেয়ার বাজারে উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।












