রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

Vinod Suryavanshi: জাতিবাদের শিকার, গ্রামে মেলে না সম্মান, জীবনের লড়াইয়ের কথা শেয়ার ‘পঞ্চায়েত’ খ্যাত অভিনেতার

Published on: April 22, 2026
Vinod Suryavanshi
---Advertisement---

জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘পঞ্চায়েত’-এর অভিনেতা বিনোদ সূর্যবংশী (Vinod Suryavanshi) সম্প্রতি নিজের জীবনের এক কঠিন বাস্তবের কথা সামনে এনেছেন। আজকে বড় পর্দায় যে বিনোদকে দেখা যায় তার অভিনেতা হওয়ার আগের জীবনটা মোটেই সহজ ছিল না। ছেলেবেলা থেকে বড় হয়ে ওঠার সেই কঠিন দিনগুলোর কথাই ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেতা।

অভিনেতার বাড়ি কর্ণাটকের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে। তাঁর কথায়, সেখানে এখনও প্রকাশ্যে জাতভেদ প্রথা চলে। গ্রামের মধ্যে আলাদা আলাদা এলাকায় উচ্চবর্ণ ও নিম্নবর্ণের মানুষদের বসবাস সম্পূর্ণ আলাদা করে রাখা হয়। শুধু তাই নয়, তাঁর পরিবারকে এখনও পর্যন্ত গ্রামের মন্দিরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না, এমনকি অনেকের বাড়িতেও ঢোকার অনুমতি নেই। আর এই ঘটনা আজকের নয়, শৈশব থেকেই এরকম নানা অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি।

বিনোদ (Vinod Suryavanshi) ছোটবেলার স্মৃতি ঘেঁটে জানান, মাত্র ১২ বছর বয়সে বাবার সঙ্গে গ্রামে গিয়ে একবার হোটেলে খেতে বসেছিলেন। কিন্তু খাওয়া শেষে তাঁদের নিজেদেরই প্লেট ধুতে হয়, যদিও খাবারের দাম পুরোপুরি দিতে হয়েছিল। এই অভিজ্ঞতা তাঁর মনে গভীর দাগ কেটেছে।

PM Modi on Pahalgam: ‘সন্ত্রাসীদের পরিকল্পনা সফল হবে না’, পহেলগামের বর্ষপূর্তিতে কড়া বার্তা নরেন্দ্র মোদীর

শুধু সামাজিক বৈষম্যই নয়, দারিদ্র্যও ছিল তাঁর জীবনের বড় অংশ। ছোটবেলায় সংসারে প্রচণ্ড আর্থিক টানাপোড়েন ছিল। বাবার সঙ্গে সম্পর্কও খুব ভালো ছিল না, ফলে মানসিক চাপও কম ছিল না। পরে কর্মজীবনের শুরুতে তাঁকে নানা ছোটখাটো কাজ করতে হয়েছে- লিফটম্যান, সিকিউরিটি গার্ড থেকে আরও যা যা কাজ পেতেন তাই করতেন। অভিনয়ের জগতে ঢোকার পরও সংগ্রাম থামেনি। একাধিকবার তাঁর গায়ের রঙের কারণে কাজ থেকে বাদ পড়তে হয়েছে। তবুও হার মানেননি তিনি। ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন।

উল্লেখ্য, Panchayat, Thamma, Satyameva Jayate, Jolly LLB 3-র মতো একাধিক সিনেমা এবং ওয়েব সিরিজে দেখা গেছে বিনোদ সূর্যবংশীকে (Vinod Suryavanshi)। তবে এই জনপ্রিয়তার পরেও গ্রামে তাঁর বা তাঁর পরিবারের অবস্থান পাল্টায়নি, তাই আক্ষেপের সুর অভিনেতার গলায়। অভিনেতার কথায়, এই অভিজ্ঞতা শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, সময় এগোলেও সমাজে এখনও যে জাতিভিত্তিক বৈষম্য রয়ে গেছে, সেটাই আবার সকলের সামনে নিয়ে আসতে চান তিনি।


Trishita Roy

স্কুলে পড়াকালীনই সাংবাদিকতার প্রতি আগ্রহ এবং ভালোবাসা থেকে এই পেশায় আসা। সমাজের মানুষের কাছে যেকোনো ঘটনার নির্ভুলভাবে তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য। বর্তমানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ উইমেন্স কলেজ ক্যালকাটা তে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিষয়ে স্নাতক স্তরে পাঠরতা। বিনোদন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক এবং রাজনৈতিক প্রতিবেদন লেখায় বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। অবসর কাটে সিনেমা দেখে, গান শুনে এবং বই পড়ার মাধ্যমে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment