ছবি: X
বিহারের বৈশালীতে গঙ্গায় যাত্রীবোঝাই নৌকা উল্টে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। (Bihar Boat Tragedy) প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ১৩ শিশু, যাদের প্রত্যেকের বয়স ১৫ বছর বা তার কম। অন্যদিকে, নিখোঁজদের সন্ধানে গঙ্গায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?
(Bihar Boat Tragedy) গতকাল রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ বৈশালীর রাঘোপুর দিয়ারা এলাকার রামপুর শ্যামচাঁদ গ্রামের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রতিবেশী গ্রামে নিমন্ত্রণ খেতে গিয়েছিল একদল শিশু। ফেরার পথে গঙ্গায় তাঁদের নৌকাটি উল্টে যায়। নৌকায় প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন ছিলেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী থাকার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে এখনও পর্যন্ত মৃত ন’জনের পরিচয় জানা গেছে। তারা প্রত্যকেই নাবালক-নাবালিকা। তাদের নাম— পিঙ্কি কুমারী, অঙ্কিতা কুমারী, সুনীতা কুমারী, আরিয়ান কুমার, আলিশা কুমারী, শিকি কুমারী, ভোনু কুমারী, মীরা কুমারী এবং নমন কুমার। সকলেই রামপুর শ্যামচাঁদ গ্রামের বাসিন্দা।
চলছে উদ্ধারকাজ
(Bihar Boat Tragedy) দুর্ঘটনার পরেই গঙ্গায় তল্লাশি ও উদ্ধারকাজ শুরু করে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (SDRF)। বৈশালীর জেলাশাসক বর্ষা সিং জানিয়েছেন, সাতজনকে উদ্ধার করে নালন্দা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। অন্যদিকে, বিহার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা রাঘোপুরের বিধায়ক তেজস্বী যাদব জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় ১৪টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছ’জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং তিনজন নিরাপদ রয়েছেন।
ক্ষতিপূরণ ঘোষণা কেন্দ্র ও রাজ্যের
(Bihar Boat Tragedy) মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মৃতদের প্রত্যেকের নিকটাত্মীয়কে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীও মৃতদের পরিবারপিছু ৪ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা জানিয়েছেন।
বিজেপির স্বদেশি প্রযুক্তির প্রচারে হাতিয়ার Zoho, সেই সংস্থাতেই এবার কর্মীদের বেতনবৃদ্ধি বন্ধ











