মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে বেড়েছিল তেলের সঙ্কট। আর এই সঙ্কটকালে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে আর চিন্তার কোনও কারণ নেই বলে জানাল ভারত সরকার। ভারত সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতে প্রায় দুই মাসের জন্য পর্যাপ্ত তেল ও জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং সরবরাহের কোনও ঘাটতির আশঙ্কা নেই। পাশাপাশি ঘাটতির গুজবে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
এই নিয়ে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক (Iran War) জানিয়েছে, “আগামী ৬০ দিনের জন্য অপরিশোধিত তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। ২৬ মার্চ এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলো আগে থেকেই আমদানির ব্যবস্থা করে রেখেছে, ফলে সরবরাহে কোনও ঘাটতি হবে না”।
একই সঙ্গে সরকার জানিয়েছে, “তেলের সরবরাহ বজায় রাখতে বিকল্প উৎস থেকেও আমদানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি বৈচিত্র্য বাড়ানোর ফলে নির্দিষ্ট কোনও অঞ্চলের উপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হয়েছে। এর ফলে সরবরাহ শৃঙ্খল আরও শক্তিশালী হয়েছে।”
হরমুজ প্রণালী নিয়ে উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও, ভারত ৪০টিরও বেশি বিশ্বে তেল সরবরাহকারীর কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল পাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, অন্যান্য অঞ্চল থেকে তেলের বর্ধিত সরবরাহ যেকোনও বাধা বিঘ্নকে পুষিয়ে দিয়েছে। যা জ্বালানির সরবরাহ স্থিতিশীল করেছে। সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে দেশের কোথাও পেট্রোল, ডিজেল বা এলপিজির কোনও ঘাটতি নেই। সমস্ত জ্বালানি স্টেশন স্বাভাবিকভাবে চলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ৬০ দিনের মজুত থাকা জ্বালানি দেশের কাছে একটা বড় সুরক্ষার দিক। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে সাময়িক অস্থিরতা থাকলেও দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানির (Iran War) দাম বা সরবরাহে সেই সময় বড় ধাক্কা লাগে না। তবে দীর্ঘমেয়াদে পরিস্থিতি খারাপ হলে নতুন করে চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। ভারত সরকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে যাতে আতঙ্ক না ছড়ায়, সেই বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।












