রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

Tmc Candidate : বড় গাড়ি নয়, মানুষের কাছে পৌঁছতে ভরসা সাইকেল, মন জিতলেন তৃণমূল প্রার্থী

Tmc Candidate
---Advertisement---

পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড় বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট প্রচারে এক ব্যতিক্রমী ছবি। প্রচারের চিরাচরিত ধারা ভেঙে সাইকেলেই গ্রামে গ্রামে ঘুরে জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী (Tmc Candidate) প্রতিভা মাইতি। বয়স প্রায় ৬০ ছুঁই ছুঁই, তাতে আর কী, বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি তাঁর উদ্যমে। বরং সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছতে তিনি বেছে নিয়েছেন একেবারে সহজ ও পরিচিত মাধ্যম—সাইকেল।

নিজের বাড়ি থেকে প্রতিদিন সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়ছেন প্রতিভা মাইতি। কখনও কাঁচা রাস্তা, কখনও সরু গ্রামীণ গলি পেরিয়ে তিনি পৌঁছে যাচ্ছেন প্রত্যন্ত এলাকায়। পথে পথে মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন, তাঁদের অভাব-অভিযোগ শুনছেন এবং ভোটে সমর্থনের আবেদন জানাচ্ছেন। তাঁর এই সহজ-সরল প্রচার ভঙ্গি ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে এলাকাবাসীর।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রতিভা মাইতি (Tmc Candidate) শুধু একজন প্রার্থীই নন, তিনি বর্তমানে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি। সেই হিসেবে তাঁর জন্য গাড়ি ও অন্যান্য সুবিধার ব্যবস্থা থাকলেও, তিনি সেগুলি ব্যবহার না করে সাইকেলকেই সঙ্গী করেছেন। তাঁর কথায়, “আমি গ্রামেরই মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই সাইকেলে চড়ে চলাফেরা করেছি। আজও সেই অভ্যাসই আমাকে মানুষের আরও কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।”

শিক্ষকতা জীবনের শুরুতে তিনি একটি নার্সারি স্কুলে পড়াতেন। সেই সময় থেকেই সাইকেল তাঁর নিত্যসঙ্গী। তাই আজও সেই পুরনো অভ্যাস বজায় রেখেই তিনি প্রচারে নেমেছেন। তাঁর মতে, গাড়ি নিয়ে বড় রাস্তায় ঘোরার চেয়ে সাইকেল নিয়ে সরু গলিতে ঢুকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা অনেক বেশি কার্যকর।

স্থানীয় মানুষজনও তাঁর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। অনেকেই বলছেন, এত বড় পদে থেকেও যেভাবে তিনি সাধারণ জীবনযাপন বজায় রেখেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ভোটের আগে এমন সরল ও আন্তরিক প্রচার যে মানুষের মনে আলাদা প্রভাব ফেলছে, তা বলাই বাহুল্য।

সব মিলিয়ে, বয়সকে উপেক্ষা করে সাইকেলকে সঙ্গী করে প্রতিভা মাইতির এই প্রচার যেন এক অন্যরকম বার্তা দিচ্ছে—রাজনীতির ময়দানে মানুষের কাছে পৌঁছতে বড় আয়োজন নয়, দরকার আন্তরিকতা ও সংযোগ।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment