একটা টাইপিং ভুলে পাল্টে গেল অনেক কিছু। মধ্যপ্রদেশের ইনদোরের যুবক রাজা রঘুবংশী হত্যাকাণ্ড (Meghalaya Honeymoon Murder) মামলায় মঙ্গলবার জামিন হয়েছিল তাঁর স্ত্রী তথা অভিযুক্ত সোনম রঘুবংশীর। এবার এই হত্যা মামলায়, জামিন পেলেন সোনম রঘুবংশীর প্রেমিক তথা এই মামলার আরও এক অন্যতম অভিযুক্ত রাজ কুশওয়াহার। আর এই জামিন নিয়ে তৈরি হয়েছে শোরগোল।
সোনমের এই মুক্তির পরই রাজার পরিবারের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। আর এরপরেই চাঞ্চল্য এক অভিযোগ উঠে এল। সূত্রের খবর, পুলিশের সামান্য ‘প্রক্রিয়াগত ত্রুটি’ ছিল গ্রেফতারি মেমোতে! অনেকের মতে, সেই কারণেই সোনমের জামিন পাওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে।
কী সেই ত্রুটি? সোনমকে গ্রেফতার করার সময় পুলিশ যে গ্রেফতারি মেমো দিয়েছিল তাতে একটি ধারা নিয়েই যত গন্ডগোল। লেখা হয়েছিল ৪০৩ (১) ধারার কথা। উল্লেখ্য, ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় (বিএনএস) ওই ধারার কোনও অস্তিত্বই নেই!
প্রসঙ্গত, সোনমের জামিনের পরই রাজার পরিবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল। তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন পরিবারের সদস্যেরা। কেন সোনমকে জামিন দেওয়া হলো, তা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রাজার মা, বাবা এবং ভাই। তাঁরা বার বার সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। সোনমের জামিনের ক্ষেত্রে আদালতের যুক্তি, মেঘালয় পুলিশের ‘ত্রুটি’র কারণেই জামিন দেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালের ১১ মে ইন্দোরের বাসিন্দা রাজা রঘুবংশীর সঙ্গে বিয়ে হয় সোনমের। এরপর ২০ মে হানিমুনে তাঁরা মেঘালয়ে যান। সেখানে পৌঁছনোর কয়েকদিন পরেই রাজা নিখোঁজ হন এবং ২ জুন একটি খাদ থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এরও বেশ কয়েকদিন পর উত্তরপ্রদেশের গাজিপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় সোনমকে। মেঘালয় পুলিশ জানিয়েছিল, সোনম আত্মসমর্পণ করেছেন। রাজার খুনে তিনিই মূল অভিযুক্ত। এছাড়া, তাঁর প্রেমিক রাজ এবং কয়েক জন সহযোগীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রেমিক রাজের সঙ্গে যৌথভাবে পরিকল্পনা করে স্বামী রাজাকে খুন করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।











